লেবানন
মন্টিনিগ্রো
লেবাননের নাগরিকদের জন্য মন্টিনিগ্রোর ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মন্টিনিগ্রো ভ্রমণে লেবাননের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
লেবাননে মন্টিনিগ্রোর মিশন
- মন্টিনিগ্রোর দূতাবাস, আঙ্কারা৭০৭ km
Çayhane Sokak 41, 06680 Ankara
- মন্টিনিগ্রোর দূতাবাস, এথেন্স১,১৫১ km
Λουκιανού 5, Αθήνα
-
১,১৮৯ km
লেবাননে মন্টিনিগ্রোর একটি মিশন আছে। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: বৈরুত।
দূরত্বের হিসাবে বৈরুত থেকে মন্টিনিগ্রোর যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো আঙ্কারা (তুরস্ক, ৭০৭ কিলোমিটার), এথেন্স (গ্রিস, ১,১৫১ কিলোমিটার) ও তিবিলিসি (জর্জিয়া, ১,১৮৯ কিলোমিটার) শহরে। লেবানন থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে মন্টিনিগ্রো; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের লেবানন ভ্রমণ
মন্টিনিগ্রো
লেবানন অন-অ্যারাইভাল ভিসা মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের জন্য লেবাননের ভিসা
মন্টিনিগ্রো ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
লেবানন থেকে মন্টিনিগ্রোতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মন্টিনিগ্রোকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২৬ আগস্ট, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মন্টিনিগ্রোর ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১৩ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মন্টিনিগ্রোর জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
লেবাননের নাগরিকরা মন্টিনিগ্রোতে কত দিন থাকতে পারেন
মন্টিনিগ্রোতে লেবাননের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
লেবাননের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
লেবাননে মন্টিনিগ্রোর কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই, আর বৈরুত শহরের অনারারি কনস্যুলেট সাধারণত ভিসা দেয় না। তাই লেবাননের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মন্টিনিগ্রোর সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে লেবানন পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মন্টিনিগ্রোর অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
লেবাননের নাগরিকদের জন্য মন্টিনিগ্রোর প্রতিবেশী দেশ
ক্রোয়েশিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, সার্বিয়া ও কসোভো যেতে লেবাননের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের লেবানন ভ্রমণ
মন্টিনিগ্রোর নাগরিকরা লেবাননে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মন্টিনিগ্রোতে যেতে লেবাননের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মন্টিনিগ্রো ভ্রমণে লেবাননের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
লেবাননে কি মন্টিনিগ্রোর দূতাবাস আছে?
না। লেবাননে মন্টিনিগ্রোর কোনো দূতাবাস নেই; শুধু বৈরুত শহরে অনারারি কনস্যুলেট আছে। মন্টিনিগ্রোর সবচেয়ে কাছের দূতাবাস তুরস্কের আঙ্কারায়, বৈরুত থেকে ৭০৭ কিলোমিটার দূরে।
লেবাননে যেতে মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মন্টিনিগ্রোর নাগরিকরা লেবাননে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
লেবাননের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মন্টিনিগ্রোতে যেতে পারেন?
না। লেবাননের নাগরিকদের আগে থেকে মন্টিনিগ্রোর ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।