লাওস
যুক্তরাষ্ট্র
লাওসের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে লাওসের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · la.usembassy.gov-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
লাওসে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস, ভিয়েনতিয়েন
ທະໝົນ ທ່າເດື່ອ km 9, Vientiane
লাওসে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মিশন আছে; দূতাবাস ভিয়েনতিয়েনে।
লাওসের নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা
| মঞ্জুর করা ভিসা | অর্থবছর ২০২৪ | অর্থবছর ২০২৫ |
|---|---|---|
| ভ্রমণ ও ব্যবসা (B) | ১,১৭৩ | ২৫৯ |
| শিক্ষার্থী (F, M) | ৭৬ | ২৬ |
| এক্সচেঞ্জ (J) | ১১১ | ৪৭ |
| চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি) | ৩৫ | ১৭ |
| ট্রানজিট ও ক্রু (C, D) | ৪ | ৭ |
| কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G) | ২৯১ | ২৪০ |
| বাগদত্ত (K) | ৪৩০ | ৭৭৫ |
| অন্যান্য | ১ | ১ |
| মোট | ২,১২১ | ১,৩৭২ |
| B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার | ৮২.৮% | ৮৪.৩% |
অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র লাওসের নাগরিকদের ১,৩৭২টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ১৫৬তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ বাগদত্তের ভিসা (K), ৫৬%; এরপর ভ্রমণ ও ব্যবসা (১৯%) ও কূটনৈতিক ও সরকারি (১৭%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (২,১২১) চেয়ে ৩৫% কম।
অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত লাওসের নাগরিকদের ১৪৩টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৮০% কম।
ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ লাওসের নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৮৪.৩% (অর্থবছর ২০২৪: ৮২.৮%)। সমন্বিত হারে সেসব প্রত্যাখ্যান মঞ্জুর হিসেবে গোনা হয়, যেগুলো পরে বাতিল হয়েছে, যেমন বাড়তি কাগজ দেওয়ার পর। ৩%-এর কম হার ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামে (Visa Waiver Program) যুক্ত হওয়ার শর্তগুলোর একটি।
এই পরিসংখ্যানে সারা বিশ্বে লাওসের নাগরিকদের দেওয়া ভিসা আছে, শুধু লাওসে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দেওয়া ভিসা নয়।
উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের লাওস ভ্রমণ
যুক্তরাষ্ট্র
লাওস অন-অ্যারাইভাল ভিসা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য লাওসের ভিসা
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরামর্শ
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
লাওস থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
লাওসের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন
যুক্তরাষ্ট্রে লাওসের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
লাওসের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
লাওসে আবেদন করা যায় ভিয়েনতিয়েনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে যুক্তরাষ্ট্র।
লাওসের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ
কানাডা ও মেক্সিকো যেতে লাওসের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের লাওস ভ্রমণ
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে লাওসের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
যুক্তরাষ্ট্রে যেতে লাওসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে লাওসের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
লাওসে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কোথায়?
যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ভিয়েনতিয়েনে।
লাওসে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে লাওসের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
লাওসের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন?
না। লাওসের নাগরিকদের আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।