কেনিয়া
সুইডেন
কেনিয়ার নাগরিকদের জন্য সুইডেনের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
সুইডেন ভ্রমণে কেনিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · swedenabroad.se-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
কেনিয়ায় সুইডেনের মিশন
- সুইডেনের দূতাবাস, নাইরোবি
United Nations Crescent, Nairobi
কেনিয়ায় সুইডেনের একটি মিশন আছে; দূতাবাস নাইরোবিতে।
সুইডেন: কেনিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১৩,৩৭৪ | ৮,৯৫৭ | ৪,২৭০ | ৩২.২% | ৩০.৬% |
| ২০২৪ | ১৪,৩৮১ | ৯,১৮২ | ৪,৫৫৬ | ৩৩.১% | ২২.৫% |
| ২০২৫ | ১৫,৬৯৯ | ৯,১৮৪ | ৬,১৪৩ | ৪০.০% | ২০.৪% |
২০২৫ সালে কেনিয়ায় সুইডেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (নাইরোবি) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৫,৬৯৯টি আবেদন পেয়েছে এবং ৯,১৮৪টি ভিসা দিয়েছে। ৪০.০% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৩৩.১%, অর্থাৎ এটি ৬.৯ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৯% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১৪,৩৮১টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে কেনিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ৩৩.১% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল চেক প্রজাতন্ত্রের কনস্যুলেটে ১৬.৭% থেকে নরওয়ের কনস্যুলেটে ৬০.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে সুইডেনের কনস্যুলেটগুলো ২৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কেনিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে সুইডেন সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে কেনিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
সুইডেনের নাগরিকদের কেনিয়া ভ্রমণ
সুইডেন
কেনিয়া ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) সুইডেনের নাগরিকদের জন্য কেনিয়ার ভিসা
সুইডেন ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
কেনিয়া থেকে সুইডেনে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সুইডেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) সুইডেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুইডেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
কেনিয়ার নাগরিকরা সুইডেনে কত দিন থাকতে পারেন
সুইডেনে কেনিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
কেনিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
কেনিয়ায় আবেদন করা যায় নাইরোবিতে সুইডেনের দূতাবাসে, অথবা সুইডেনের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে সুইডেন।
সুইডেন ও শেনজেন অঞ্চল
সুইডেনের দেওয়া শেনজেন ভিসায় কেনিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; সুইডেন যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন সুইডেনের কাছেই করতে হয়।
কেনিয়ার নাগরিকদের জন্য সুইডেনের প্রতিবেশী দেশ
নরওয়ে ও ফিনল্যান্ড যেতে কেনিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
সুইডেনের নাগরিকদের কেনিয়া ভ্রমণ
কেনিয়ার ফ্লাইটে ওঠার আগে সুইডেনের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
সুইডেনে যেতে কেনিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
সুইডেন ভ্রমণে কেনিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
কেনিয়ায় সুইডেনের দূতাবাস কোথায়?
সুইডেনের দূতাবাস নাইরোবিতে।
কেনিয়ায় যেতে সুইডেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
কেনিয়ার ফ্লাইটে ওঠার আগে সুইডেনের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
কেনিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া সুইডেনে যেতে পারেন?
না। কেনিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে সুইডেনের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।