কেনিয়াবেলজিয়াম

কেনিয়ার নাগরিকদের জন্য বেলজিয়ামের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

কেনিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · kenya.diplomatie.belgium.be-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

কেনিয়ায় বেলজিয়ামের মিশন

কেনিয়ায় বেলজিয়ামের একটি মিশন আছে; দূতাবাস নাইরোবিতে।

বেলজিয়াম: কেনিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,৮১৮১,২৮৪৫৩৪২৮.৬% ২৯.৩%
২০২৪ ২,১১৭১,১৬১৯২৩৪৪.২% ২২.২%
২০২৫ ৩,৫০৯১,৯৮১১,৪২৬৪১.৭% ২৩.৮%

২০২৫ সালে কেনিয়ায় বেলজিয়ামের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (নাইরোবি) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩,৫০৯টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৯৮১টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৪১.৭%। ২০২৪ সালের ৪৪.২%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ২.৫ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৬৬% বেড়েছে (২০২৪ সালে ২,১১৭টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে কেনিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ৩৩.১% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল চেক প্রজাতন্ত্রের কনস্যুলেটে ১৬.৭% থেকে নরওয়ের কনস্যুলেটে ৬০.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে বেলজিয়ামের কনস্যুলেটগুলো ২৬.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কেনিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে বেলজিয়াম দশম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে কেনিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

বেলজিয়ামের নাগরিকদের কেনিয়া ভ্রমণ

বেলজিয়ামকেনিয়া ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) বেলজিয়ামের নাগরিকদের জন্য কেনিয়ার ভিসা

বেলজিয়াম ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

কেনিয়া থেকে বেলজিয়ামে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বেলজিয়ামকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) বেলজিয়ামের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১৭ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বেলজিয়ামের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

কেনিয়ার নাগরিকরা বেলজিয়ামে কত দিন থাকতে পারেন

বেলজিয়ামে কেনিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

কেনিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

কেনিয়ায় আবেদন করা যায় নাইরোবিতে বেলজিয়ামের দূতাবাসে, অথবা বেলজিয়ামের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে বেলজিয়াম।

বেলজিয়াম ও শেনজেন অঞ্চল

বেলজিয়ামের দেওয়া শেনজেন ভিসায় কেনিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; বেলজিয়াম যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন বেলজিয়ামের কাছেই করতে হয়।

কেনিয়ার নাগরিকদের জন্য বেলজিয়ামের প্রতিবেশী দেশ

জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, লাক্সেমবার্গ ও ফ্রান্স যেতে কেনিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

বেলজিয়ামের নাগরিকদের কেনিয়া ভ্রমণ

কেনিয়ার ফ্লাইটে ওঠার আগে বেলজিয়ামের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বেলজিয়ামে যেতে কেনিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

কেনিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

কেনিয়ায় বেলজিয়ামের দূতাবাস কোথায়?

বেলজিয়ামের দূতাবাস নাইরোবিতে।

কেনিয়ায় যেতে বেলজিয়ামের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

কেনিয়ার ফ্লাইটে ওঠার আগে বেলজিয়ামের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

কেনিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন?

না। কেনিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে বেলজিয়ামের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।