জর্ডানজার্মানি

জর্ডানের নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

জর্ডানের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
২টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · amman.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

জর্ডানে জার্মানির মিশন

জর্ডানে জার্মানির সব মিশন

জর্ডানে জার্মানির ২টি মিশন আছে; দূতাবাস আম্মানে। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: আকাবা।

জার্মানি: জর্ডানে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১১,৮৯৬৯,৭৫৯২,০২৩১৭.১% ৮০.৫%
২০২৪ ১১,৮৯২৭,৪০৮৪,৩১৪৩৬.৩% ৭৭.৯%
২০২৫ ১০,২৬৫৬,১৮৪৩,৯৪৯৩৮.৬% ৮০.৪%

২০২৫ সালে জর্ডানে জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (আম্মান) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১০,২৬৫টি আবেদন পেয়েছে এবং ৬,১৮৪টি ভিসা দিয়েছে। ৩৮.৬% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৩৬.৩%, অর্থাৎ এটি ২.২ পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৪% কমেছে (২০২৪ সালে ১১,৮৯২টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে জর্ডানে জমা পড়া আবেদনের ২১.৪% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ৫.৪% থেকে নরওয়ের কনস্যুলেটে ৫২.০% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। জর্ডানে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে জর্ডানে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

জার্মানির নাগরিকদের জর্ডান ভ্রমণ

জার্মানিজর্ডান অন-অ্যারাইভাল ভিসা জার্মানির নাগরিকদের জন্য জর্ডানের ভিসা

জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

জার্মানিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন জর্ডানের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

জর্ডানের নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন

জার্মানিতে জর্ডানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

জর্ডানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

জর্ডানে আবেদন করা যায় আম্মানে জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।

জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল

জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় জর্ডানের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।

জর্ডানের নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে জর্ডানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

জার্মানির নাগরিকদের জর্ডান ভ্রমণ

জার্মানির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে জর্ডানের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জার্মানিতে যেতে জর্ডানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জর্ডানের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

জর্ডানে জার্মানির দূতাবাস কোথায়?

জার্মানির দূতাবাস আম্মানে।

জর্ডানে যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে জর্ডানের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

জর্ডানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?

না। জর্ডানের নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।