জর্ডান
ফ্রান্স
জর্ডানের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ফ্রান্সে যাওয়ার আগে জর্ডানের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · jo.ambafrance.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
জর্ডানে ফ্রান্সের মিশন
- ফরাসি প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, আম্মান
Al Mutanabi Street, 40, Amman
জর্ডানে ফ্রান্সের একটি মিশন আছে; দূতাবাস আম্মানে।
ফ্রান্স: জর্ডানে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৪,৩১১ | ৩,৭৫৯ | ৪৯১ | ১১.৪% | ৫৪.৪% |
| ২০২৪ | ৫,১৮৪ | ৪,৫৫০ | ৬০৫ | ১১.৬% | ৫১.৯% |
| ২০২৫ | ৭,৩৭২ | ৬,৩৭৯ | ৮৯৭ | ১২.০% | ৫৩.০% |
২০২৫ সালে জর্ডানে ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (আম্মান) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৭,৩৭২টি আবেদন পেয়েছে এবং ৬,৩৭৯টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১২.০%। হারটি ২০২৪ সালের (১১.৬%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৪২% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৫,১৮৪টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে জর্ডানে জমা পড়া আবেদনের ২১.৪% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ৫.৪% থেকে নরওয়ের কনস্যুলেটে ৫২.০% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। জর্ডানে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স চতুর্থ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে জর্ডানে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ফ্রান্সের নাগরিকদের জর্ডান ভ্রমণ
ফ্রান্স
জর্ডান অন-অ্যারাইভাল ভিসা ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য জর্ডানের ভিসা
ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
জর্ডান থেকে ফ্রান্সে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
জর্ডানের নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন
ফ্রান্সে জর্ডানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
জর্ডানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
জর্ডানে আবেদন করা যায় আম্মানে ফ্রান্সের দূতাবাসে, অথবা ফ্রান্সের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ফ্রান্স।
ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল
ফ্রান্সের দেওয়া শেনজেন ভিসায় জর্ডানের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফ্রান্স যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফ্রান্সের কাছেই করতে হয়।
জর্ডানের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে জর্ডানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ফ্রান্সের নাগরিকদের জর্ডান ভ্রমণ
জর্ডানে পৌঁছানোর পর ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্রান্সে যেতে জর্ডানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফ্রান্সে যাওয়ার আগে জর্ডানের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
জর্ডানে ফ্রান্সের দূতাবাস কোথায়?
ফ্রান্সের দূতাবাস আম্মানে।
জর্ডানে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জর্ডানে পৌঁছানোর পর ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।
জর্ডানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?
না। জর্ডানের নাগরিকদের আগে থেকে ফ্রান্সের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।