জর্ডানঅস্ট্রিয়া

জর্ডানের নাগরিকদের জন্য অস্ট্রিয়ার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

অস্ট্রিয়ায় যাওয়ার আগে জর্ডানের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · bmeia.gv.at-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

জর্ডানে অস্ট্রিয়ার মিশন

জর্ডানে অস্ট্রিয়ার একটি মিশন আছে; দূতাবাস আম্মানে।

অস্ট্রিয়া: জর্ডানে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৪,৫১০৩,৭২৬৭৫২১৬.৭% ৯৮.০%
২০২৪ ৩,৯৯২৩,১৬০৭৯৮২০.০% ৯৯.৫%
২০২৫ ৪,৫১৩৩,৬৬১৭০২১৬.০% ৯০.৬%

২০২৫ সালে জর্ডানে অস্ট্রিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (আম্মান) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৪,৫১৩টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩,৬৬১টি ভিসা দিয়েছে। ১৬.০% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ২০.০%, অর্থাৎ এটি ৪.০ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৩% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৩,৯৯২টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে জর্ডানে জমা পড়া আবেদনের ২১.৪% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ৫.৪% থেকে নরওয়ের কনস্যুলেটে ৫২.০% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে অস্ট্রিয়ার কনস্যুলেটগুলো ১১.৯% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। জর্ডানে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রিয়া সপ্তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে জর্ডানে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের জর্ডান ভ্রমণ

অস্ট্রিয়াজর্ডান অন-অ্যারাইভাল ভিসা অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের জন্য জর্ডানের ভিসা

অস্ট্রিয়া ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

জর্ডান থেকে অস্ট্রিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অস্ট্রিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ আগস্ট, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) অস্ট্রিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অস্ট্রিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

জর্ডানের নাগরিকরা অস্ট্রিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন

অস্ট্রিয়ায় জর্ডানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

জর্ডানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

জর্ডানে আবেদন করা যায় আম্মানে অস্ট্রিয়ার দূতাবাসে, অথবা অস্ট্রিয়ার নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে অস্ট্রিয়া।

অস্ট্রিয়া ও শেনজেন অঞ্চল

অস্ট্রিয়ার দেওয়া শেনজেন ভিসায় জর্ডানের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; অস্ট্রিয়া যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন অস্ট্রিয়ার কাছেই করতে হয়।

জর্ডানের নাগরিকদের জন্য অস্ট্রিয়ার প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, ইতালি, স্লোভেনিয়া ও লিখটেনস্টাইন যেতে জর্ডানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের জর্ডান ভ্রমণ

অস্ট্রিয়ার নাগরিকরা জর্ডানে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

অস্ট্রিয়ায় যেতে জর্ডানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

অস্ট্রিয়ায় যাওয়ার আগে জর্ডানের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

জর্ডানে অস্ট্রিয়ার দূতাবাস কোথায়?

অস্ট্রিয়ার দূতাবাস আম্মানে।

জর্ডানে যেতে অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

অস্ট্রিয়ার নাগরিকরা জর্ডানে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

জর্ডানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া অস্ট্রিয়ায় যেতে পারেন?

না। জর্ডানের নাগরিকদের আগে থেকে অস্ট্রিয়ার ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।