জামাইকা
জার্মানি
জামাইকার নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
জার্মানি ভ্রমণে জামাইকার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · kingston.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
জামাইকায় জার্মানির মিশন
- ফেডারেল প্রজাতন্ত্রী জার্মানির দূতাবাস, কিংস্টন
Waterloo Road 10, Kingston
জামাইকায় জার্মানির একটি মিশন আছে; দূতাবাস কিংস্টনে।
জার্মানি: জামাইকায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১,১২৮ | ১,০৯২ | ৩১ | ২.৮% | ৯৭.৫% |
| ২০২৪ | ১,২৩১ | ১,১৬৩ | ৫২ | ৪.৩% | ৯৮.৯% |
| ২০২৫ | ১,২১৭ | ১,১১৪ | ৮৫ | ৭.১% | ৯৯.৭% |
২০২৫ সালে জামাইকায় জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কিংস্টন) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,২১৭টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,১১৪টি ভিসা দিয়েছে। ৭.১% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৪.৩%, অর্থাৎ এটি ২.৮ পয়েন্ট বেড়েছে। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ১,২৩১টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে জামাইকায় জমা পড়া আবেদনের ৬.৮% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল স্পেনের কনস্যুলেটে ১.৭% থেকে বেলজিয়ামের কনস্যুলেটে ৩২.৭% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। জামাইকায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে জামাইকায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
জার্মানির নাগরিকদের জামাইকা ভ্রমণ
জার্মানি
জামাইকা ভিসা লাগে না, ৯০ দিন জার্মানির নাগরিকদের জন্য জামাইকার ভিসা
জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
জার্মানিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন জামাইকার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
জামাইকার নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন
জার্মানিতে জামাইকার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
জামাইকার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
জামাইকায় আবেদন করা যায় কিংস্টনে জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।
জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল
জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় জামাইকার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।
জামাইকার নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে জামাইকার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
জার্মানির নাগরিকদের জামাইকা ভ্রমণ
জামাইকায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে জার্মানির নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
জার্মানিতে যেতে জামাইকার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জার্মানি ভ্রমণে জামাইকার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
জামাইকায় জার্মানির দূতাবাস কোথায়?
জার্মানির দূতাবাস কিংস্টনে।
জামাইকায় যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জামাইকায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে জার্মানির নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
জামাইকার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?
না। জামাইকার নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।