আইভরি কোস্টযুক্তরাষ্ট্র

আইভরি কোস্টের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে আইভরি কোস্টের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · ci.usembassy.gov-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

আইভরি কোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন

আইভরি কোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মিশন আছে; দূতাবাস আবিজানে।

আইভরি কোস্টের নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা

মঞ্জুর করা ভিসাঅর্থবছর ২০২৪অর্থবছর ২০২৫
ভ্রমণ ও ব্যবসা (B)৭,৭৬৪৬,৭২০
শিক্ষার্থী (F, M)৪৭০৩৪৪
এক্সচেঞ্জ (J)৯০৬৫
চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি)১০৩৭৪
ট্রানজিট ও ক্রু (C, D)৮৩৯১
কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G)৬২৭৪৬৮
বাগদত্ত (K)১৩০৭৬
মোট৯,২৬৭৭,৮৩৮
B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার৩০.১%৩৬.৮%

অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র আইভরি কোস্টের নাগরিকদের ৭,৮৩৮টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ৯৩তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসা (B1/B2), ৮৬%; এরপর কূটনৈতিক ও সরকারি (৬%) ও শিক্ষার্থী (৪%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (৯,২৬৭) চেয়ে ১৫% কম।

অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত আইভরি কোস্টের নাগরিকদের ৯৫৪টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭২% কম।

ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ আইভরি কোস্টের নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৩৬.৮% (অর্থবছর ২০২৪: ৩০.১%)। সমন্বিত হারে সেসব প্রত্যাখ্যান মঞ্জুর হিসেবে গোনা হয়, যেগুলো পরে বাতিল হয়েছে, যেমন বাড়তি কাগজ দেওয়ার পর। ৩%-এর কম হার ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামে (Visa Waiver Program) যুক্ত হওয়ার শর্তগুলোর একটি।

এই পরিসংখ্যানে সারা বিশ্বে আইভরি কোস্টের নাগরিকদের দেওয়া ভিসা আছে, শুধু আইভরি কোস্টে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দেওয়া ভিসা নয়।

উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের আইভরি কোস্ট ভ্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রআইভরি কোস্ট ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য আইভরি কোস্টের ভিসা

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরামর্শ

  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

আইভরি কোস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

আইভরি কোস্টের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন

যুক্তরাষ্ট্রে আইভরি কোস্টের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

আইভরি কোস্টের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

আইভরি কোস্টে আবেদন করা যায় আবিজানে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে যুক্তরাষ্ট্র।

আইভরি কোস্টের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ

কানাডা ও মেক্সিকো যেতে আইভরি কোস্টের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের আইভরি কোস্ট ভ্রমণ

আইভরি কোস্টের ফ্লাইটে ওঠার আগে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আইভরি কোস্টের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে আইভরি কোস্টের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আইভরি কোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কোথায়?

যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস আবিজানে।

আইভরি কোস্টে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

আইভরি কোস্টের ফ্লাইটে ওঠার আগে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

আইভরি কোস্টের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন?

না। আইভরি কোস্টের নাগরিকদের আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।