ইসরায়েল
স্পেন
ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য স্পেনের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ইসরায়েলের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই স্পেনে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · exteriores.gob.es-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
স্পেন: ইসরায়েলে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১০,৩১৪ | ৭,৬০১ | ১,৫৪৬ | ১৫.৭% | ৩৩.৫% |
| ২০২৪ | ১২,৩৪৩ | ৮,১২৯ | ২,০০৫ | ১৮.৫% | ৩৩.৯% |
| ২০২৫ | ১১,২০১ | ৭,১৪০ | ৩,১০৩ | ২৯.০% | ২৯.০% |
২০২৫ সালে ইসরায়েলে স্পেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (জেরুজালেম ও তেল আবিব) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১১,২০১টি আবেদন পেয়েছে এবং ৭,১৪০টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ২৯.০%। ২০২৪ সালের ১৮.৫%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১০.৪ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৯% কমেছে (২০২৪ সালে ১২,৩৪৩টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ইসরায়েলে জমা পড়া আবেদনের ১৮.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে স্পেনের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৬% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ইসরায়েলে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে স্পেন সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ইসরায়েলে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
স্পেনের নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণ
স্পেন
ইসরায়েল ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) স্পেনের নাগরিকদের জন্য ইসরায়েলের ভিসা
স্পেন ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
স্পেনে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৩১ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) স্পেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২ নভেম্বর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
ইসরায়েলের নাগরিকরা স্পেনে কত দিন থাকতে পারেন
ইসরায়েলের নাগরিকরা স্পেনে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। স্পেনে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
স্পেন ও শেনজেন অঞ্চল
ইসরায়েলের নাগরিকদের ভিসা ছাড়া স্পেন ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য স্পেনের প্রতিবেশী দেশ
আন্ডোরা, পর্তুগাল ও ফ্রান্স যেতে ইসরায়েলের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
স্পেনের নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণ
ইসরায়েলে যেতে স্পেনের নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
স্পেনে যেতে ইসরায়েলের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ইসরায়েলের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই স্পেনে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ইসরায়েলের নাগরিকরা স্পেনে কত দিন থাকতে পারেন?
ইসরায়েলের নাগরিকরা স্পেনে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
ইসরায়েলে যেতে স্পেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ইসরায়েলে যেতে স্পেনের নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
ইসরায়েলের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, ইসরায়েলের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।