ইসরায়েল
পোল্যান্ড
ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য পোল্যান্ডের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
পোল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে ইসরায়েলের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · gov.pl-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
পোল্যান্ড: ইসরায়েলে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৫৫৪ | ৫৪৫ | ৯ | ১.৬% | ২৯.৯% |
| ২০২৪ | ৪৪০ | ৩৯৫ | ৩১ | ৬.৯% | ৪৬.৬% |
| ২০২৫ | ৪৩২ | ৪১৭ | ০ | ০.০% | ৪৭.২% |
২০২৫ সালে ইসরায়েলে পোল্যান্ডের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (তেল আবিব) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৪৩২টি আবেদন পেয়েছে এবং ৪১৭টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ০.০%। ২০২৪ সালের ৬.৯%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৬.৯ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ৪৪০টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ইসরায়েলে জমা পড়া আবেদনের ১৮.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল জার্মানির কনস্যুলেটে ২.১% থেকে স্পেনের কনস্যুলেটে ২৯.০% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে পোল্যান্ডের কনস্যুলেটগুলো ১৫.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ইসরায়েলে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে পোল্যান্ড নবম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ইসরায়েলে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
পোল্যান্ডের নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণ
পোল্যান্ড
ইসরায়েল ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) পোল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য ইসরায়েলের ভিসা
পোল্যান্ড ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
পোল্যান্ডে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পোল্যান্ডকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৪ জুন, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পোল্যান্ডের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পোল্যান্ডের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
ইসরায়েলের নাগরিকরা পোল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন
ইসরায়েলের নাগরিকরা পোল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। পোল্যান্ডে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
পোল্যান্ড ও শেনজেন অঞ্চল
ইসরায়েলের নাগরিকদের ভিসা ছাড়া পোল্যান্ড ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য পোল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশ
জার্মানি, লিথুয়ানিয়া, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, বেলারুশ, ইউক্রেন ও রাশিয়া যেতে ইসরায়েলের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
পোল্যান্ডের নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণ
ইসরায়েলের ফ্লাইটে ওঠার আগে পোল্যান্ডের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
পোল্যান্ডে যেতে ইসরায়েলের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
পোল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে ইসরায়েলের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
ইসরায়েলের নাগরিকরা পোল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন?
ইসরায়েলের নাগরিকরা পোল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
ইসরায়েলে যেতে পোল্যান্ডের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ইসরায়েলের ফ্লাইটে ওঠার আগে পোল্যান্ডের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
ইসরায়েলের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া পোল্যান্ডে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, ইসরায়েলের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া পোল্যান্ডে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।