ইসরায়েল
লিবিয়া
ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য লিবিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
আমাদের ভিসা তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে ইসরায়েলের নাগরিকদের লিবিয়ায় প্রবেশের অনুমতি নেই।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
লিবিয়ার নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণ
লিবিয়া
ইসরায়েল ই-ভিসা লিবিয়ার নাগরিকদের জন্য ইসরায়েলের ভিসা
লিবিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
লিবিয়ায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর লিবিয়াকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৩০ আগস্ট, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) লিবিয়ার কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ২১ জুলাই, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো লিবিয়ার জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য লিবিয়ার প্রতিবেশী দেশ
নাইজার, সুদান, তিউনিসিয়া ও মিশর যেতে ইসরায়েলের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
লিবিয়ার নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণ
লিবিয়ার নাগরিকদের জন্য ইসরায়েলের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
লিবিয়ায় যেতে ইসরায়েলের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
আমাদের ভিসা তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে ইসরায়েলের নাগরিকদের লিবিয়ায় প্রবেশের অনুমতি নেই।
ইসরায়েলে যেতে লিবিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
লিবিয়ার নাগরিকদের জন্য ইসরায়েলের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।
ইসরায়েলের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া লিবিয়ায় যেতে পারেন?
না। আমাদের ভিসা তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে ইসরায়েলের নাগরিকদের লিবিয়ায় প্রবেশের অনুমতি নেই।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।