ইরাক
মিয়ানমার
ইরাকের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমার ভ্রমণে ইরাকের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
ইরাকের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী ইরাকে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, তেল আবিব৯১৩ km
יחזקאל קויפמן 2, Tel Aviv
- মিয়ানমারের কনস্যুলেট, এথেন্স১,৯৪০ km
Σκουζέ 10, Πειραιάς
- মিয়ানমারের দূতাবাস, বেলগ্রেড২,৪১৫ km
Кнеза Милоша 72, Belgrade
দূরত্বের হিসাবে বাগদাদ থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো তেল আবিব (ইসরায়েল, ৯১৩ কিলোমিটার), এথেন্স (গ্রিস, ১,৯৪০ কিলোমিটার) ও বেলগ্রেড (সার্বিয়া, ২,৪১৫ কিলোমিটার) শহরে। ইরাকের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের ইরাক ভ্রমণ
মিয়ানমার
ইরাক ই-ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য ইরাকের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ইরাক থেকে মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
ইরাকের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে ইরাকের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
ইরাকের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
ইরাকে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই ইরাকের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে ইরাক পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
ইরাকের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন, বাংলাদেশ ও ভারত যেতে ইরাকের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের ইরাক ভ্রমণ
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য ইরাকের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে ইরাকের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে ইরাকের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
ইরাকে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। ইরাকে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইসরায়েলের তেল আবিবে, বাগদাদ থেকে ৯১৩ কিলোমিটার দূরে।
ইরাকে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য ইরাকের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।
ইরাকের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। ইরাকের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।