ইরাক
জার্মানি
ইরাকের নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
জার্মানি ভ্রমণে ইরাকের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ২টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · irak.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
ইরাকে জার্মানির মিশন
- ফেডারেল প্রজাতন্ত্রী জার্মানির দূতাবাস, বাগদাদ
609-3 53, 2036 Jadriyah Baghdad
- ফেডারেল প্রজাতন্ত্রী জার্মানির কনস্যুলেট জেনারেল, এরবিল
شەقامی کەرکووک 66, 44001 أربيل
ইরাকে জার্মানির ২টি মিশন আছে; দূতাবাস বাগদাদে। কনস্যুলেট: এরবিল।
জার্মানি: ইরাকে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১৯,৭৭২ | ১২,৩১২ | ৬,৯১২ | ৩৫.৮% | ৯২.২% |
| ২০২৪ | ১৯,৫০৯ | ১২,৯৩৯ | ৬,০৬৯ | ৩১.৯% | ৮৫.১% |
| ২০২৫ | ১৩,৭৭৯ | ৮,৪৭৬ | ৪,৯৬৩ | ৩৬.৯% | ৭১.৪% |
২০২৫ সালে ইরাকে জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (বাগদাদ ও এরবিল) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৩,৭৭৯টি আবেদন পেয়েছে এবং ৮,৪৭৬টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩৬.৯%। ২০২৪ সালের ৩১.৯%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৫.০ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২৯% কমেছে (২০২৪ সালে ১৯,৫০৯টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ইরাকে জমা পড়া আবেদনের ৩৪.৩% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ইতালির কনস্যুলেটে ২৫.০% থেকে হাঙ্গেরির কনস্যুলেটে ৮৪.২% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরাকে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি তৃতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ইরাকে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
জার্মানির নাগরিকদের ইরাক ভ্রমণ
জার্মানি
ইরাক ই-ভিসা জার্মানির নাগরিকদের জন্য ইরাকের ভিসা
জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ইরাক থেকে জার্মানিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
ইরাকের নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন
জার্মানিতে ইরাকের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
ইরাকের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
ইরাকে আবেদন করা যায় বাগদাদে জার্মানির দূতাবাসে অথবা এরবিল শহরের কনস্যুলেটে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।
জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল
জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় ইরাকের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।
ইরাকের নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে ইরাকের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
জার্মানির নাগরিকদের ইরাক ভ্রমণ
যাত্রার আগে জার্মানির নাগরিকদের ইরাকের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
জার্মানিতে যেতে ইরাকের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জার্মানি ভ্রমণে ইরাকের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
ইরাকে জার্মানির দূতাবাস কোথায়?
জার্মানির দূতাবাস বাগদাদে, আর এরবিল শহরে কনস্যুলেটও আছে।
ইরাকে যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যাত্রার আগে জার্মানির নাগরিকদের ইরাকের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
ইরাকের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?
না। ইরাকের নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।