ইরাকইসওয়াতিনি

ইরাকের নাগরিকদের জন্য ইসওয়াতিনির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

ইরাকের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ইসওয়াতিনিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

ইরাকের নাগরিকরা ইসওয়াতিনির ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী ইরাকে ইসওয়াতিনির কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে ইসওয়াতিনির দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

দূরত্বের হিসাবে বাগদাদ থেকে ইসওয়াতিনির যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো আদ্দিস আবাবা (ইথিওপিয়া, ২,৭৬৭ কিলোমিটার), ব্রাসেলস (বেলজিয়াম, ৩,৭৬৮ কিলোমিটার) ও লন্ডন (যুক্তরাজ্য, ৪,০৯১ কিলোমিটার) শহরে। ইরাক থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে ইসওয়াতিনি; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।

ইসওয়াতিনির নাগরিকদের ইরাক ভ্রমণ

ইসওয়াতিনিইরাক ই-ভিসা ইসওয়াতিনির নাগরিকদের জন্য ইরাকের ভিসা

ইসওয়াতিনি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

ইসওয়াতিনিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন ইরাকের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইসওয়াতিনিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৯ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ইসওয়াতিনির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসওয়াতিনির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

ইরাকের নাগরিকরা ইসওয়াতিনিতে কত দিন থাকতে পারেন

ইসওয়াতিনিতে ইরাকের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

ইরাকের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

ইরাকে ইসওয়াতিনির কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই ইরাকের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে ইসওয়াতিনির সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে ইরাক পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে ইসওয়াতিনির অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

ইরাকের নাগরিকদের জন্য ইসওয়াতিনির প্রতিবেশী দেশ

দক্ষিণ আফ্রিকা যেতে ইরাকের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

ইসওয়াতিনির নাগরিকদের ইরাক ভ্রমণ

ইসওয়াতিনির নাগরিকদের জন্য ইরাকের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ইসওয়াতিনিতে যেতে ইরাকের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ইরাকের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ইসওয়াতিনিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

ইরাকে কি ইসওয়াতিনির দূতাবাস আছে?

না। ইরাকে ইসওয়াতিনির কোনো দূতাবাস নেই। ইসওয়াতিনির সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায়, বাগদাদ থেকে ২,৭৬৭ কিলোমিটার দূরে।

ইরাকে যেতে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ইসওয়াতিনির নাগরিকদের জন্য ইরাকের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।

ইরাকের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ইসওয়াতিনিতে যেতে পারেন?

না। ইরাকের নাগরিকদের আগে থেকে ইসওয়াতিনির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।