ভারতসুইডেন

ভারতের নাগরিকদের জন্য সুইডেনের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

সুইডেন ভ্রমণে ভারতের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · swedenabroad.se-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

ভারতে সুইডেনের মিশন

ভারতে সুইডেনের একটি মিশন আছে; দূতাবাস নয়াদিল্লিতে।

সুইডেন: ভারতে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৩৪,৬২১২৮,৩৫৪৬,১৫৯১৭.৮% ২০.৬%
২০২৪ ৩২,৯৩৯২৮,১০৯৪,৭৫৫১৪.৫% ২৫.৫%
২০২৫ ৩২,৫৩৬২৮,৫৬৪৩,৭২৩১১.৫% ২৮.১%

২০২৫ সালে ভারতে সুইডেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (নয়াদিল্লি) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩২,৫৩৬টি আবেদন পেয়েছে এবং ২৮,৫৬৪টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১১.৫%। ২০২৪ সালের ১৪.৫%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ২.৯ পয়েন্ট কমেছে। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ৩২,৯৩৯টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ভারতে জমা পড়া আবেদনের ১৫.৮% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ডেনমার্কের কনস্যুলেটে ৭.১% থেকে স্লোভেনিয়ার কনস্যুলেটে ৪৬.৫% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে সুইডেনের কনস্যুলেটগুলো ২৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ভারতে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে সুইডেন দশম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ভারতে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

সুইডেনের নাগরিকদের ভারত ভ্রমণ

সুইডেনভারত ই-ভিসা সুইডেনের নাগরিকদের জন্য ভারতের ভিসা

সুইডেন ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

সুইডেনে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন ভারতের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সুইডেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) সুইডেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুইডেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

ভারতের নাগরিকরা সুইডেনে কত দিন থাকতে পারেন

সুইডেনে ভারতের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

ভারতের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

ভারতে আবেদন করা যায় নয়াদিল্লিতে সুইডেনের দূতাবাসে, অথবা সুইডেনের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে সুইডেন।

সুইডেন ও শেনজেন অঞ্চল

সুইডেনের দেওয়া শেনজেন ভিসায় ভারতের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; সুইডেন যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন সুইডেনের কাছেই করতে হয়।

ভারতের নাগরিকদের জন্য সুইডেনের প্রতিবেশী দেশ

নরওয়ে ও ফিনল্যান্ড যেতে ভারতের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

সুইডেনের নাগরিকদের ভারত ভ্রমণ

সুইডেনের নাগরিকদের জন্য ভারতের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায় এবং ৩০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য দেওয়া হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

সুইডেনে যেতে ভারতের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

সুইডেন ভ্রমণে ভারতের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

ভারতে সুইডেনের দূতাবাস কোথায়?

সুইডেনের দূতাবাস নয়াদিল্লিতে।

ভারতে যেতে সুইডেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

সুইডেনের নাগরিকদের জন্য ভারতের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায় এবং ৩০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য দেওয়া হয়।

ভারতের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া সুইডেনে যেতে পারেন?

না। ভারতের নাগরিকদের আগে থেকে সুইডেনের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।