হংকং
যুক্তরাষ্ট্র
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · hk.usconsulate.gov-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
হংকংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেট জেনারেল, হংকং
花園道 Garden Road 26, Hong Kong
হংকংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মিশন আছে। কনস্যুলেট: হংকং।
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের দেওয়া মার্কিন ভিসা
| মঞ্জুর করা ভিসা | অর্থবছর ২০২৪ | অর্থবছর ২০২৫ |
|---|---|---|
| ভ্রমণ ও ব্যবসা (B) | ৫৫,২৬৪ | ৪৪,২১৪ |
| শিক্ষার্থী (F, M) | ২,৯৯৪ | ২,২৬১ |
| এক্সচেঞ্জ (J) | ৬৪৩ | ৫১৭ |
| চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি) | ১,৩৬০ | ১,১৭৯ |
| ট্রানজিট ও ক্রু (C, D) | ১,২৯৫ | ১,৫৭৬ |
| কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G) | ২০ | ৩৫ |
| বাগদত্ত (K) | ৬২ | ২৮ |
| মোট | ৬১,৬৩৮ | ৪৯,৮১০ |
| B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার | ৬.২% | ৭.৭% |
অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের ৪৯,৮১০টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ৩২তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসা (B1/B2), ৮৯%; এরপর শিক্ষার্থী (৫%) ও ট্রানজিট ও ক্রু (৩%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (৬১,৬৩৮) চেয়ে ১৯% কম।
অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের ১৬,৪০১টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৮% কম।
ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৭.৭% (অর্থবছর ২০২৪: ৬.২%)। সমন্বিত হারে সেসব প্রত্যাখ্যান মঞ্জুর হিসেবে গোনা হয়, যেগুলো পরে বাতিল হয়েছে, যেমন বাড়তি কাগজ দেওয়ার পর। ৩%-এর কম হার ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামে (Visa Waiver Program) যুক্ত হওয়ার শর্তগুলোর একটি।
এই পরিসংখ্যানে সারা বিশ্বে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের দেওয়া ভিসা আছে, শুধু হংকংয়ে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দেওয়া ভিসা নয়।
উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের হংকং ভ্রমণ
যুক্তরাষ্ট্র
হংকং ভিসা লাগে না, ৯০ দিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য হংকংয়ের ভিসা
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরামর্শ
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
হংকং থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন
যুক্তরাষ্ট্রে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা কীভাবে আবেদন করবেন
হংকংয়ে আবেদন করা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে হংকং শহরের কনস্যুলেটে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে যুক্তরাষ্ট্র।
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ
মেক্সিকো যেতে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের ভিসা লাগে না।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের হংকং ভ্রমণ
হংকংয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
যুক্তরাষ্ট্রে যেতে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের কি ভিসা লাগে?
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
হংকংয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
হংকংয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা কি ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন?
না। হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।