হংকং
বেলজিয়াম
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের জন্য বেলজিয়ামের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
বেলজিয়ামে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · hongkongmacau.diplomatie.belgium.be-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
বেলজিয়াম: হংকংয়ে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৬২৮ | ৬০০ | ২৮ | ৪.৫% | ৬৩.৩% |
| ২০২৪ | ৭২৭ | ৬৯৪ | ২৭ | ৩.৭% | ৭৫.৮% |
| ২০২৫ | ৮০৫ | ৭৪৯ | ৪০ | ৫.১% | ৯৩.৫% |
২০২৫ সালে হংকংয়ে বেলজিয়ামের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (হংকং) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৮০৫টি আবেদন পেয়েছে এবং ৭৪৯টি ভিসা দিয়েছে। ৫.১% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৩.৭%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১১% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৭২৭টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে হংকংয়ে জমা পড়া আবেদনের ২.৮% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল স্পেনের কনস্যুলেটে ০.৪% থেকে অস্ট্রিয়ার কনস্যুলেটে ১১.৬% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে বেলজিয়ামের কনস্যুলেটগুলো ২৬.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। হংকংয়ে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে বেলজিয়াম সপ্তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে হংকংয়ে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
বেলজিয়ামের নাগরিকদের হংকং ভ্রমণ
বেলজিয়াম
হংকং ভিসা লাগে না, ৯০ দিন বেলজিয়ামের নাগরিকদের জন্য হংকংয়ের ভিসা
বেলজিয়াম ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
হংকং থেকে বেলজিয়ামে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বেলজিয়ামকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) বেলজিয়ামের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১৭ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বেলজিয়ামের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা বেলজিয়ামে কত দিন থাকতে পারেন
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা বেলজিয়ামে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। বেলজিয়ামে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
বেলজিয়াম ও শেনজেন অঞ্চল
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের ভিসা ছাড়া বেলজিয়াম ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের জন্য বেলজিয়ামের প্রতিবেশী দেশ
জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, লাক্সেমবার্গ ও ফ্রান্স যেতে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের ভিসা লাগে না।
বেলজিয়ামের নাগরিকদের হংকং ভ্রমণ
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য বেলজিয়ামের নাগরিকদের হংকংয়ের ভিসা লাগে না। হংকং ও বেলজিয়ামের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
বেলজিয়ামে যেতে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের কি ভিসা লাগে?
বেলজিয়ামে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা বেলজিয়ামে কত দিন থাকতে পারেন?
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা বেলজিয়ামে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
হংকংয়ে যেতে বেলজিয়ামের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য বেলজিয়ামের নাগরিকদের হংকংয়ের ভিসা লাগে না।
হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা কি ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।