হংকংঅস্ট্রিয়া

হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের জন্য অস্ট্রিয়ার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

ভিসা লাগে না সর্বোচ্চ ৯০ দিন

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের অস্ট্রিয়ার ভিসা লাগে না।

সর্বোচ্চ অবস্থান
৯০ দিন
আবেদন কোথায় করবেন
আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

অস্ট্রিয়া: হংকংয়ে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৩৬৬৩৬৩৩০.৮% ৮.০%
২০২৪ ৩৭০৩৪১২৯৭.৮% ১৭.০%
২০২৫ ৬৩০৫৪৭৭২১১.৬% ৪.৯%

২০২৫ সালে হংকংয়ে অস্ট্রিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (হংকং) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৬৩০টি আবেদন পেয়েছে এবং ৫৪৭টি ভিসা দিয়েছে। ১১.৬% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৭.৮%, অর্থাৎ এটি ৩.৮ পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৭০% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৩৭০টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে হংকংয়ে জমা পড়া আবেদনের ২.৮% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে অস্ট্রিয়ার কনস্যুলেটগুলো ১১.৯% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। হংকংয়ে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রিয়া নবম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে হংকংয়ে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের হংকং ভ্রমণ

অস্ট্রিয়াহংকং ভিসা লাগে না, ৯০ দিন অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের জন্য হংকংয়ের ভিসা

অস্ট্রিয়া ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

অস্ট্রিয়ায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অস্ট্রিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ আগস্ট, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) অস্ট্রিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অস্ট্রিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা অস্ট্রিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন

হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা অস্ট্রিয়ায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। অস্ট্রিয়ায় কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।

অস্ট্রিয়া ও শেনজেন অঞ্চল

হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের ভিসা ছাড়া অস্ট্রিয়া ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।

হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের জন্য অস্ট্রিয়ার প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, ইতালি, স্লোভেনিয়া ও লিখটেনস্টাইন যেতে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের ভিসা লাগে না।

অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের হংকং ভ্রমণ

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের হংকংয়ের ভিসা লাগে না। হংকং ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

অস্ট্রিয়ায় যেতে হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের কি ভিসা লাগে?

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য হংকংয়ের পাসপোর্টধারীদের অস্ট্রিয়ার ভিসা লাগে না।

হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা অস্ট্রিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন?

হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা অস্ট্রিয়ায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।

হংকংয়ে যেতে অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের হংকংয়ের ভিসা লাগে না।

হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা কি ভিসা ছাড়া অস্ট্রিয়ায় যেতে পারেন?

হ্যাঁ, হংকংয়ের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া অস্ট্রিয়ায় যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।