ভ্যাটিকান
মিয়ানমার
ভ্যাটিকানের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ভ্যাটিকানের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
ভ্যাটিকানের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী ভ্যাটিকানে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, বেলগ্রেড৭২২ km
Кнеза Милоша 72, Belgrade
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ভিয়েনা৭৬৯ km
Donau-City-Straße 6, 1220 Wien
- মিয়ানমারের দূতাবাস, প্রাগ৯২২ km
Václavské náměstí 1282/51, Prague
ভ্যাটিকান সিটির সবচেয়ে কাছের মিয়ানমারের মিশনগুলো বেলগ্রেড (সার্বিয়া, ৭২২ কিলোমিটার), ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া, ৭৬৯ কিলোমিটার) ও প্রাগ (চেক প্রজাতন্ত্র, ৯২২ কিলোমিটার) শহরে। ভ্যাটিকানের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের ভ্যাটিকান ভ্রমণ
মিয়ানমার
ভ্যাটিকান আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য ভ্যাটিকানের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মিয়ানমারে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন ভ্যাটিকানের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
ভ্যাটিকানের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে ভ্যাটিকানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
ভ্যাটিকানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
ভ্যাটিকানে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই ভ্যাটিকানের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে ভ্যাটিকান পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
ভ্যাটিকানের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন যেতে ভ্যাটিকানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের ভ্যাটিকান ভ্রমণ
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ভ্যাটিকানে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে। ভ্যাটিকান ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে ভ্যাটিকানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ভ্যাটিকানের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
ভ্যাটিকানে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। ভ্যাটিকানে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস সার্বিয়ার বেলগ্রেডে, ভ্যাটিকান সিটি থেকে ৭২২ কিলোমিটার দূরে।
ভ্যাটিকানে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ভ্যাটিকানে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
ভ্যাটিকানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। ভ্যাটিকানের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।