গিনি-বিসাউ
যুক্তরাষ্ট্র
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
গিনি-বিসাউয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন
গিনি-বিসাউয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মিশন আছে। কনস্যুলেট: বিসাউ।
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা
| মঞ্জুর করা ভিসা | অর্থবছর ২০২৪ | অর্থবছর ২০২৫ |
|---|---|---|
| ভ্রমণ ও ব্যবসা (B) | ৫৯ | ৭২ |
| শিক্ষার্থী (F, M) | ২ | ৪ |
| এক্সচেঞ্জ (J) | ১৪ | ১০ |
| চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি) | ৮ | ৮ |
| ট্রানজিট ও ক্রু (C, D) | ১ | ০ |
| কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G) | ৮৪ | ৬৪ |
| বাগদত্ত (K) | ৩ | ৫ |
| মোট | ১৭১ | ১৬৩ |
| B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার | ৭৬.৬% | ৭৫.২% |
অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের ১৬৩টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ১৮৭তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসা (B1/B2), ৪৪%; এরপর কূটনৈতিক ও সরকারি (৩৯%) ও এক্সচেঞ্জ (৬%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (১৭১) চেয়ে ৫% কম।
অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের ৩৮টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪১% কম।
ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৭৫.২% (অর্থবছর ২০২৪: ৭৬.৬%)। সমন্বিত হারে সেসব প্রত্যাখ্যান মঞ্জুর হিসেবে গোনা হয়, যেগুলো পরে বাতিল হয়েছে, যেমন বাড়তি কাগজ দেওয়ার পর। ৩%-এর কম হার ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামে (Visa Waiver Program) যুক্ত হওয়ার শর্তগুলোর একটি।
এই পরিসংখ্যানে সারা বিশ্বে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের দেওয়া ভিসা আছে, শুধু গিনি-বিসাউয়ে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দেওয়া ভিসা নয়।
উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের গিনি-বিসাউ ভ্রমণ
যুক্তরাষ্ট্র
গিনি-বিসাউ অন-অ্যারাইভাল ভিসা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য গিনি-বিসাউয়ের ভিসা
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরামর্শ
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন
যুক্তরাষ্ট্রে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
গিনি-বিসাউয়ে আবেদন করা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে বিসাউ শহরের কনস্যুলেটে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে যুক্তরাষ্ট্র।
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ
কানাডা ও মেক্সিকো যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের গিনি-বিসাউ ভ্রমণ
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা গিনি-বিসাউয়ে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
যুক্তরাষ্ট্রে যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
গিনি-বিসাউয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা গিনি-বিসাউয়ে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন?
না। গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।