গিনি-বিসাউ
তাঞ্জানিয়া
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের জন্য তাঞ্জানিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
তাঞ্জানিয়ায় যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
গিনি-বিসাউয়ে ভিসার আবেদন কোথায় করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী গিনি-বিসাউয়ে তাঞ্জানিয়ার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে তাঞ্জানিয়ার দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের গিনি-বিসাউ ভ্রমণ
তাঞ্জানিয়া
গিনি-বিসাউ অন-অ্যারাইভাল ভিসা তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের জন্য গিনি-বিসাউয়ের ভিসা
তাঞ্জানিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
তাঞ্জানিয়ায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাঞ্জানিয়াকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) তাঞ্জানিয়ার কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণের পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাঞ্জানিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা তাঞ্জানিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
তাঞ্জানিয়ায় গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
তাঞ্জানিয়ার ই-ভিসার আবেদন সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে অনলাইনে হয়, আর ভ্রমণের সময় গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের অনুমোদনের প্রমাণ সঙ্গে রাখা উচিত।
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের জন্য তাঞ্জানিয়ার প্রতিবেশী দেশ
কেনিয়া ও রুয়ান্ডা যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের গিনি-বিসাউ ভ্রমণ
গিনি-বিসাউয়ে পৌঁছানোর পর তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
তাঞ্জানিয়ায় যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
তাঞ্জানিয়ায় যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।
গিনি-বিসাউয়ে কি তাঞ্জানিয়ার দূতাবাস আছে?
না। গিনি-বিসাউয়ে তাঞ্জানিয়ার কোনো দূতাবাস নেই।
গিনি-বিসাউয়ে যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
গিনি-বিসাউয়ে পৌঁছানোর পর তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া তাঞ্জানিয়ায় যেতে পারেন?
না। গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের তাঞ্জানিয়ার ই-ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।