গিনি-বিসাউমিয়ানমার

গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিয়ানমারে যাওয়ার আগে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী গিনি-বিসাউয়ে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

বিসাউয়ের সবচেয়ে কাছের মিয়ানমারের মিশনগুলো প্যারিস (ফ্রান্স, ৪,৪৩৫ কিলোমিটার), লন্ডন (যুক্তরাজ্য, ৪,৬২৪ কিলোমিটার) ও ব্রাসেলস (বেলজিয়াম, ৪,৭০০ কিলোমিটার) শহরে। গিনি-বিসাউ থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে মিয়ানমার; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।

মিয়ানমারের নাগরিকদের গিনি-বিসাউ ভ্রমণ

মিয়ানমারগিনি-বিসাউ অন-অ্যারাইভাল ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য গিনি-বিসাউয়ের ভিসা

মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মিয়ানমারে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন

মিয়ানমারে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

গিনি-বিসাউয়ে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে গিনি-বিসাউ পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ

বাংলাদেশ যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। চীন, লাওস ও ভারত যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

মিয়ানমারের নাগরিকদের গিনি-বিসাউ ভ্রমণ

গিনি-বিসাউয়ে পৌঁছানোর পর মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

মিয়ানমারে যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিয়ানমারে যাওয়ার আগে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

গিনি-বিসাউয়ে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?

না। গিনি-বিসাউয়ে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ফ্রান্সের প্যারিসে, বিসাউ থেকে ৪,৪৩৫ কিলোমিটার দূরে।

গিনি-বিসাউয়ে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গিনি-বিসাউয়ে পৌঁছানোর পর মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?

না। গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।