গিনি-বিসাউ
লিবিয়া
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের জন্য লিবিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
যাত্রার আগে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের লিবিয়ার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
গিনি-বিসাউয়ে ভিসার আবেদন কোথায় করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী গিনি-বিসাউয়ে লিবিয়ার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে লিবিয়ার দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
লিবিয়ার নাগরিকদের গিনি-বিসাউ ভ্রমণ
লিবিয়া
গিনি-বিসাউ অন-অ্যারাইভাল ভিসা লিবিয়ার নাগরিকদের জন্য গিনি-বিসাউয়ের ভিসা
লিবিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
গিনি-বিসাউ থেকে লিবিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর লিবিয়াকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৩০ আগস্ট, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) লিবিয়ার কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ২১ জুলাই, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো লিবিয়ার জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা লিবিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
লিবিয়ায় গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
লিবিয়ার ই-ভিসার আবেদন সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে অনলাইনে হয়, আর ভ্রমণের সময় গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের অনুমোদনের প্রমাণ সঙ্গে রাখা উচিত।
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের জন্য লিবিয়ার প্রতিবেশী দেশ
নাইজার ও তিউনিসিয়া যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। আলজেরিয়া, সুদান ও মিশর যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
লিবিয়ার নাগরিকদের গিনি-বিসাউ ভ্রমণ
লিবিয়ার নাগরিকরা গিনি-বিসাউয়ে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
লিবিয়ায় যেতে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যাত্রার আগে গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের লিবিয়ার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
গিনি-বিসাউয়ে কি লিবিয়ার দূতাবাস আছে?
না। গিনি-বিসাউয়ে লিবিয়ার কোনো দূতাবাস নেই।
গিনি-বিসাউয়ে যেতে লিবিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
লিবিয়ার নাগরিকরা গিনি-বিসাউয়ে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া লিবিয়ায় যেতে পারেন?
না। গিনি-বিসাউয়ের নাগরিকদের লিবিয়ার ই-ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।