গ্রেনাডা
মিয়ানমার
গ্রেনাডার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে গ্রেনাডার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
গ্রেনাডার নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী গ্রেনাডায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ওয়াশিংটন ডিসি৩,৩৪৭ km
S Street Northwest 2300, 20008 Washington
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ব্রাসিলিয়া৩,৪৫৭ km
SHIS QI 7 Conjunto 9 2, Brasília
- মিয়ানমারের দূতাবাস, অটোয়া৩,৯৩৮ km
Island Park Drive 336, Ottawa
সেন্ট জর্জেসের সবচেয়ে কাছের মিয়ানমারের মিশনগুলো ওয়াশিংটন ডিসি (যুক্তরাষ্ট্র, ৩,৩৪৭ কিলোমিটার), ব্রাসিলিয়া (ব্রাজিল, ৩,৪৫৭ কিলোমিটার) ও অটোয়া (কানাডা, ৩,৯৩৮ কিলোমিটার) শহরে। গ্রেনাডা থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে মিয়ানমার; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের গ্রেনাডা ভ্রমণ
মিয়ানমার
গ্রেনাডা আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য গ্রেনাডার ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
গ্রেনাডা থেকে মিয়ানমারে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
গ্রেনাডার নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে গ্রেনাডার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
গ্রেনাডার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
গ্রেনাডায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই গ্রেনাডার নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে গ্রেনাডা পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
গ্রেনাডার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন ও বাংলাদেশ যেতে গ্রেনাডার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
মিয়ানমারের নাগরিকদের গ্রেনাডা ভ্রমণ
গ্রেনাডা ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক। গ্রেনাডা ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে গ্রেনাডার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে গ্রেনাডার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
গ্রেনাডায় কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। গ্রেনাডায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে, সেন্ট জর্জেস থেকে ৩,৩৪৭ কিলোমিটার দূরে।
গ্রেনাডায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
গ্রেনাডা ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
গ্রেনাডার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। গ্রেনাডার নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।