জর্জিয়া
হাঙ্গেরি
জর্জিয়ার নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
জর্জিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই হাঙ্গেরিতে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · tbiliszi.mfa.gov.hu-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
হাঙ্গেরি: জর্জিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৪ | ১৪৯ | ১৪৯ | ০ | ০.০% | ০.০% |
| ২০২৫ | ১৪০ | ১৩৮ | ০ | ০.০% | ০.০% |
২০২৫ সালে জর্জিয়ায় হাঙ্গেরির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (তিবিলিসি) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৪০টি আবেদন পেয়েছে এবং ১৩৮টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ০.০%। হারটি ২০২৪ সালের (০.০%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৬% কমেছে (২০২৪ সালে ১৪৯টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে জর্জিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১৩.৮% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলেটে ৩.১% থেকে ইতালির কনস্যুলেটে ৩৩.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে হাঙ্গেরির কনস্যুলেটগুলো ১৩.০% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। জর্জিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে হাঙ্গেরি ১২তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে জর্জিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৪–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
হাঙ্গেরির নাগরিকদের জর্জিয়া ভ্রমণ
হাঙ্গেরি
জর্জিয়া ভিসা লাগে না, ৩৬০ দিন হাঙ্গেরির নাগরিকদের জন্য জর্জিয়ার ভিসা
হাঙ্গেরি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
হাঙ্গেরিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন জর্জিয়ার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর হাঙ্গেরিকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৪ এপ্রিল, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) হাঙ্গেরির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হাঙ্গেরির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
জর্জিয়ার নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে কত দিন থাকতে পারেন
জর্জিয়ার নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। হাঙ্গেরিতে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
হাঙ্গেরি ও শেনজেন অঞ্চল
জর্জিয়ার নাগরিকদের ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরি ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
জর্জিয়ার নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির প্রতিবেশী দেশ
স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ও সার্বিয়া যেতে জর্জিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
হাঙ্গেরির নাগরিকদের জর্জিয়া ভ্রমণ
জর্জিয়ায় যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৩৬০ দিনের বেশি না হয়। জর্জিয়া ও হাঙ্গেরির মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
হাঙ্গেরিতে যেতে জর্জিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জর্জিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই হাঙ্গেরিতে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
জর্জিয়ার নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে কত দিন থাকতে পারেন?
জর্জিয়ার নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
জর্জিয়ায় যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জর্জিয়ায় যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৩৬০ দিনের বেশি না হয়।
জর্জিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, জর্জিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।