গ্যাবন
উরুগুয়ে
গ্যাবনের নাগরিকদের জন্য উরুগুয়ের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
উরুগুয়ে ভ্রমণে গ্যাবনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
গ্যাবনের নাগরিকরা উরুগুয়ের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী গ্যাবনে উরুগুয়ের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে উরুগুয়ের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
-
৩,৩৮৬ km
- উরুগুয়ের দূতাবাস, প্রিটোরিয়া৩,৫৪০ km
Veale Street East 361, Pretoria
- উরুগুয়ের দূতাবাস, কায়রো৪,০২৩ km
شارع زكريا رزق 6, 11568 القاهرة
দূরত্বের হিসাবে লিব্রেভিল থেকে উরুগুয়ের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো আদ্দিস আবাবা (ইথিওপিয়া, ৩,৩৮৬ কিলোমিটার), প্রিটোরিয়া (দক্ষিণ আফ্রিকা, ৩,৫৪০ কিলোমিটার) ও কায়রো (মিশর, ৪,০২৩ কিলোমিটার) শহরে। গ্যাবনের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে উরুগুয়ে; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
উরুগুয়ের নাগরিকদের গ্যাবন ভ্রমণ
উরুগুয়ে
গ্যাবন ই-ভিসা উরুগুয়ের নাগরিকদের জন্য গ্যাবনের ভিসা
উরুগুয়ে ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
গ্যাবন থেকে উরুগুয়েতে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর উরুগুয়েকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২৭ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) উরুগুয়ের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উরুগুয়ের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
গ্যাবনের নাগরিকরা উরুগুয়েতে কত দিন থাকতে পারেন
উরুগুয়েতে গ্যাবনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
গ্যাবনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
গ্যাবনে উরুগুয়ের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই গ্যাবনের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে উরুগুয়ের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে গ্যাবন পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে উরুগুয়ের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
গ্যাবনের নাগরিকদের জন্য উরুগুয়ের প্রতিবেশী দেশ
ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা যেতে গ্যাবনের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
উরুগুয়ের নাগরিকদের গ্যাবন ভ্রমণ
যাত্রার আগে উরুগুয়ের নাগরিকদের গ্যাবনের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
উরুগুয়েতে যেতে গ্যাবনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
উরুগুয়ে ভ্রমণে গ্যাবনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
গ্যাবনে কি উরুগুয়ের দূতাবাস আছে?
না। গ্যাবনে উরুগুয়ের কোনো দূতাবাস নেই। উরুগুয়ের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায়, লিব্রেভিল থেকে ৩,৩৮৬ কিলোমিটার দূরে।
গ্যাবনে যেতে উরুগুয়ের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যাত্রার আগে উরুগুয়ের নাগরিকদের গ্যাবনের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।
গ্যাবনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া উরুগুয়েতে যেতে পারেন?
না। গ্যাবনের নাগরিকদের আগে থেকে উরুগুয়ের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।