গ্যাবনসার্বিয়া

গ্যাবনের নাগরিকদের জন্য সার্বিয়ার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

গ্যাবনের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া সার্বিয়ায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

গ্যাবনের নাগরিকরা সার্বিয়ার ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী গ্যাবনে সার্বিয়ার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে সার্বিয়ার দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

লিব্রেভিলের সবচেয়ে কাছের সার্বিয়ার মিশনগুলো কিনশাসা (গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ৮৩৩ কিলোমিটার), লুয়ান্ডা (অ্যাঙ্গোলা, ১,১০৮ কিলোমিটার) ও আদ্দিস আবাবা (ইথিওপিয়া, ৩,৩৮৪ কিলোমিটার) শহরে। গ্যাবন থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে সার্বিয়া; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।

সার্বিয়ার নাগরিকদের গ্যাবন ভ্রমণ

সার্বিয়াগ্যাবন ই-ভিসা সার্বিয়ার নাগরিকদের জন্য গ্যাবনের ভিসা

সার্বিয়া ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

সার্বিয়ায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন গ্যাবনের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সার্বিয়াকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২৬ আগস্ট, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) সার্বিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সার্বিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৫ নভেম্বর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

গ্যাবনের নাগরিকরা সার্বিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন

সার্বিয়ায় গ্যাবনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

গ্যাবনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

গ্যাবনে সার্বিয়ার কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই গ্যাবনের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে সার্বিয়ার সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে গ্যাবন পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে সার্বিয়ার অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

গ্যাবনের নাগরিকদের জন্য সার্বিয়ার প্রতিবেশী দেশ

হাঙ্গেরি, উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, রোমানিয়া, ক্রোয়েশিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, মন্টিনিগ্রো ও কসোভো যেতে গ্যাবনের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

সার্বিয়ার নাগরিকদের গ্যাবন ভ্রমণ

সার্বিয়ার নাগরিকদের জন্য গ্যাবনের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায় এবং ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য দেওয়া হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

সার্বিয়ায় যেতে গ্যাবনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গ্যাবনের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া সার্বিয়ায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

গ্যাবনে কি সার্বিয়ার দূতাবাস আছে?

না। গ্যাবনে সার্বিয়ার কোনো দূতাবাস নেই। সার্বিয়ার সবচেয়ে কাছের দূতাবাস গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কিনশাসায়, লিব্রেভিল থেকে ৮৩৩ কিলোমিটার দূরে।

গ্যাবনে যেতে সার্বিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

সার্বিয়ার নাগরিকদের জন্য গ্যাবনের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায় এবং ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য দেওয়া হয়।

গ্যাবনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া সার্বিয়ায় যেতে পারেন?

না। গ্যাবনের নাগরিকদের আগে থেকে সার্বিয়ার ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।