গ্যাবনইতালি

গ্যাবনের নাগরিকদের জন্য ইতালির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

ইতালিতে যাওয়ার আগে গ্যাবনের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · amblibreville.esteri.it-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

গ্যাবনে ইতালির মিশন

  • ইতালি প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, লিব্রেভিল

    দূতাবাস · লিব্রেভিল

    Avenue Paul Moukambi 967, 23731 Libreville

    আজ · বন্ধ

গ্যাবনে ইতালির একটি মিশন আছে; দূতাবাস লিব্রেভিলে।

ইতালি: গ্যাবনে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৭০৬৩৮৬৩১৯৪৫.২% ৪২.২%
২০২৪ ৯৪৪৩৮০৫৬৪৫৯.৭% ৩৮.২%
২০২৫ ৯৯৯৫৫৪৪৪৫৪৪.৫% ৩৬.৫%

২০২৫ সালে গ্যাবনে ইতালির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (লিব্রেভিল) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৯৯৯টি আবেদন পেয়েছে এবং ৫৫৪টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৪৪.৫%। ২০২৪ সালের ৫৯.৭%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১৫.২ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৬% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৯৪৪টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে গ্যাবনে জমা পড়া আবেদনের ২৯.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে ইতালির কনস্যুলেটগুলো ১০.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। গ্যাবনে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ইতালি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে গ্যাবনে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

ইতালির নাগরিকদের গ্যাবন ভ্রমণ

ইতালিগ্যাবন ই-ভিসা ইতালির নাগরিকদের জন্য গ্যাবনের ভিসা

ইতালি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

ইতালিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন গ্যাবনের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতালিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ইতালির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৯ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতালির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

গ্যাবনের নাগরিকরা ইতালিতে কত দিন থাকতে পারেন

ইতালিতে গ্যাবনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

গ্যাবনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

গ্যাবনে আবেদন করা যায় লিব্রেভিলে ইতালির দূতাবাসে, অথবা ইতালির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ইতালি।

ইতালি ও শেনজেন অঞ্চল

ইতালির দেওয়া শেনজেন ভিসায় গ্যাবনের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ইতালি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ইতালির কাছেই করতে হয়।

গ্যাবনের নাগরিকদের জন্য ইতালির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, ভ্যাটিকান, স্লোভেনিয়া, সান মারিনো, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে গ্যাবনের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

ইতালির নাগরিকদের গ্যাবন ভ্রমণ

যাত্রার আগে ইতালির নাগরিকদের গ্যাবনের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ইতালিতে যেতে গ্যাবনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ইতালিতে যাওয়ার আগে গ্যাবনের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

গ্যাবনে ইতালির দূতাবাস কোথায়?

ইতালির দূতাবাস লিব্রেভিলে।

গ্যাবনে যেতে ইতালির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যাত্রার আগে ইতালির নাগরিকদের গ্যাবনের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।

গ্যাবনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ইতালিতে যেতে পারেন?

না। গ্যাবনের নাগরিকদের আগে থেকে ইতালির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।