ইসওয়াতিনি
ফ্রান্স
ইসওয়াতিনির নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ইসওয়াতিনির নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
ইসওয়াতিনির নাগরিকরা ফ্রান্সের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী ইসওয়াতিনিতে ফ্রান্সের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে ফ্রান্সের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- ফরাসি প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, মাপুতো১৫২ km
Avenida Julius Nyerere 2361, Maputo
অফিশিয়াল কূটনৈতিক তালিকায় ইসওয়াতিনির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত মিশন হিসেবে ফ্রান্সের মাপুতোতে অবস্থিত দূতাবাস (মোজাম্বিক, এমবাবানে থেকে ১৫২ কিলোমিটার) উল্লেখ করা আছে। ইসওয়াতিনির বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে ফ্রান্স; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
ফ্রান্সের নাগরিকদের ইসওয়াতিনি ভ্রমণ
ফ্রান্স
ইসওয়াতিনি ভিসা লাগে না, ৩০ দিন ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য ইসওয়াতিনির ভিসা
ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ফ্রান্সে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন ইসওয়াতিনির নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
ইসওয়াতিনির নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন
ফ্রান্সে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
ইসওয়াতিনির নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
ইসওয়াতিনিতে ফ্রান্সের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই ইসওয়াতিনির নাগরিকদের আবেদন করতে হবে ফ্রান্সের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে ইসওয়াতিনি পড়ে, অথবা সেই শেনজেন দেশের মাধ্যমে, যে ফ্রান্সের পক্ষে ভিসার আবেদন নেয়; সঠিক জায়গা জানা যাবে ফ্রান্সের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল
ফ্রান্সের দেওয়া শেনজেন ভিসায় ইসওয়াতিনির নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফ্রান্স যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফ্রান্সের কাছেই করতে হয়।
ইসওয়াতিনির নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ফ্রান্সের নাগরিকদের ইসওয়াতিনি ভ্রমণ
ফ্রান্সের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ইসওয়াতিনিতে যেতে এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্রান্সে যেতে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ইসওয়াতিনির নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
ইসওয়াতিনিতে কি ফ্রান্সের দূতাবাস আছে?
না। ইসওয়াতিনিতে ফ্রান্সের কোনো দূতাবাস নেই। অফিশিয়াল কূটনৈতিক তালিকা অনুযায়ী ইসওয়াতিনির দায়িত্বে আছে মোজাম্বিকের মাপুতোতে অবস্থিত দূতাবাস।
ইসওয়াতিনিতে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফ্রান্সের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ইসওয়াতিনিতে যেতে এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ইসওয়াতিনির নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?
না। ইসওয়াতিনির নাগরিকদের আগে থেকে ফ্রান্সের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।