ইসওয়াতিনিআফগানিস্তান

ইসওয়াতিনির নাগরিকদের জন্য আফগানিস্তানের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

আফগানিস্তান ভ্রমণে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

ইসওয়াতিনির নাগরিকরা আফগানিস্তানের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী ইসওয়াতিনিতে আফগানিস্তানের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে আফগানিস্তানের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

দূরত্বের হিসাবে এমবাবানে থেকে আফগানিস্তানের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো সানা (ইয়েমেন, ৪,৮৪২ কিলোমিটার), জেদ্দা (সৌদি আরব, ৫,৩৯৪ কিলোমিটার) ও আবুধাবি (সংযুক্ত আরব আমিরাত, ৬,১৭৩ কিলোমিটার) শহরে। ইসওয়াতিনি থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে আফগানিস্তান; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।

আফগানিস্তানের নাগরিকদের ইসওয়াতিনি ভ্রমণ

আফগানিস্তানইসওয়াতিনি আগে থেকে ভিসা লাগে আফগানিস্তানের নাগরিকদের জন্য ইসওয়াতিনির ভিসা

আফগানিস্তান ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পুরো দেশে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

আফগানিস্তানে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন ইসওয়াতিনির নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আফগানিস্তানকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) আফগানিস্তানে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৩০ জুলাই, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো আফগানিস্তানের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

ইসওয়াতিনির নাগরিকরা আফগানিস্তানে কত দিন থাকতে পারেন

আফগানিস্তানে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

ইসওয়াতিনির নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

ইসওয়াতিনিতে আফগানিস্তানের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই ইসওয়াতিনির নাগরিকদের আবেদন করতে হবে আফগানিস্তানের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে ইসওয়াতিনি পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে আফগানিস্তানের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

ইসওয়াতিনির নাগরিকদের জন্য আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশ

তুর্কমেনিস্তান, চীন ও উজবেকিস্তান যেতে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

আফগানিস্তানের নাগরিকদের ইসওয়াতিনি ভ্রমণ

ইসওয়াতিনিতে যাওয়ার আগে আফগানিস্তানের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়। ইসওয়াতিনি ও আফগানিস্তানের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আফগানিস্তানে যেতে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

আফগানিস্তান ভ্রমণে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

ইসওয়াতিনিতে কি আফগানিস্তানের দূতাবাস আছে?

না। ইসওয়াতিনিতে আফগানিস্তানের কোনো দূতাবাস নেই। আফগানিস্তানের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইয়েমেনের সানায়, এমবাবানে থেকে ৪,৮৪২ কিলোমিটার দূরে।

ইসওয়াতিনিতে যেতে আফগানিস্তানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ইসওয়াতিনিতে যাওয়ার আগে আফগানিস্তানের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

ইসওয়াতিনির নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া আফগানিস্তানে যেতে পারেন?

না। ইসওয়াতিনির নাগরিকদের আগে থেকে আফগানিস্তানের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।