মিশরস্লোভেনিয়া

মিশরের নাগরিকদের জন্য স্লোভেনিয়ার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিশরের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্লোভেনিয়ায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · kairo.veleposlanistvo.si-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মিশরে স্লোভেনিয়ার মিশন

মিশরে স্লোভেনিয়ার একটি মিশন আছে; দূতাবাস কায়রোতে।

স্লোভেনিয়া: মিশরে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৫৬৭৫২১৩৬৬.৫% ২৮.২%
২০২৪ ৪৬৪৩৮৮৫৭১২.৮% ২৪.৫%
২০২৫ ৫৯৩৫১৬৭২১২.২% ২৬.৬%

২০২৫ সালে মিশরে স্লোভেনিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কায়রো) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৫৯৩টি আবেদন পেয়েছে এবং ৫১৬টি ভিসা দিয়েছে। ১২.২% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ১২.৮%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২৮% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৪৬৪টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মিশরে জমা পড়া আবেদনের ২৪.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ৪.৪% থেকে সুইডেনের কনস্যুলেটে ৫০.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে স্লোভেনিয়ার কনস্যুলেটগুলো ২১.৪% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মিশরে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে স্লোভেনিয়া ২২তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে মিশরে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

স্লোভেনিয়ার নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

স্লোভেনিয়ামিশর অন-অ্যারাইভাল ভিসা স্লোভেনিয়ার নাগরিকদের জন্য মিশরের ভিসা

স্লোভেনিয়া ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মিশর থেকে স্লোভেনিয়ায় যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্লোভেনিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৪ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) স্লোভেনিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্লোভেনিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মিশরের নাগরিকরা স্লোভেনিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন

স্লোভেনিয়ায় মিশরের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মিশরের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মিশরে আবেদন করা যায় কায়রোতে স্লোভেনিয়ার দূতাবাসে, অথবা স্লোভেনিয়ার নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে স্লোভেনিয়া।

স্লোভেনিয়া ও শেনজেন অঞ্চল

স্লোভেনিয়ার দেওয়া শেনজেন ভিসায় মিশরের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; স্লোভেনিয়া যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন স্লোভেনিয়ার কাছেই করতে হয়।

মিশরের নাগরিকদের জন্য স্লোভেনিয়ার প্রতিবেশী দেশ

হাঙ্গেরি, ইতালি, ক্রোয়েশিয়া ও অস্ট্রিয়া যেতে মিশরের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

স্লোভেনিয়ার নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

মিশরে পৌঁছানোর পর স্লোভেনিয়ার নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

স্লোভেনিয়ায় যেতে মিশরের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিশরের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্লোভেনিয়ায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

মিশরে স্লোভেনিয়ার দূতাবাস কোথায়?

স্লোভেনিয়ার দূতাবাস কায়রোতে।

মিশরে যেতে স্লোভেনিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিশরে পৌঁছানোর পর স্লোভেনিয়ার নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

মিশরের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া স্লোভেনিয়ায় যেতে পারেন?

না। মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে স্লোভেনিয়ার ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।