মিশররোমানিয়া

মিশরের নাগরিকদের জন্য রোমানিয়ার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিশরের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া রোমানিয়ায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · cairo.mae.ro-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মিশরে রোমানিয়ার মিশন

মিশরে রোমানিয়ার একটি মিশন আছে; দূতাবাস কায়রোতে।

রোমানিয়া: মিশরে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৪ (আংশিক বছর) ৯৩৯৭৯৫১১৬১২.৫% ৫১.১%
২০২৫ ১,৫৭৮১,৫০৯৬৯৪.৪% ৪৬.২%

২০২৫ সালে মিশরে রোমানিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কায়রো) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,৫৭৮টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৫০৯টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৪.৪%। ২০২৪ সালের ১২.৫%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৮.১ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৬৮% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৯৩৯টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মিশরে জমা পড়া আবেদনের ২৪.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে রোমানিয়ার কনস্যুলেটগুলো ১১.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মিশরে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে রোমানিয়া ১৮তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। রোমানিয়া ৩১ মার্চ ২০২৪ থেকে শেনজেন ভিসা দেওয়া শুরু করে, তাই ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান বছরের একটি অংশের। এই পরিসংখ্যানে মিশরে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৪–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

রোমানিয়ার নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

রোমানিয়ামিশর অন-অ্যারাইভাল ভিসা রোমানিয়ার নাগরিকদের জন্য মিশরের ভিসা

রোমানিয়া ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মিশর থেকে রোমানিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর রোমানিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) রোমানিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোমানিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মিশরের নাগরিকরা রোমানিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন

রোমানিয়ায় মিশরের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মিশরের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মিশরে আবেদন করা যায় কায়রোতে রোমানিয়ার দূতাবাসে, অথবা রোমানিয়ার নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে রোমানিয়া।

রোমানিয়া ও শেনজেন অঞ্চল

রোমানিয়ার দেওয়া শেনজেন ভিসায় মিশরের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; রোমানিয়া যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন রোমানিয়ার কাছেই করতে হয়।

মিশরের নাগরিকদের জন্য রোমানিয়ার প্রতিবেশী দেশ

হাঙ্গেরি, ইউক্রেন, বুলগেরিয়া ও সার্বিয়া যেতে মিশরের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

রোমানিয়ার নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

রোমানিয়ার নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে মিশরের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

রোমানিয়ায় যেতে মিশরের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিশরের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া রোমানিয়ায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

মিশরে রোমানিয়ার দূতাবাস কোথায়?

রোমানিয়ার দূতাবাস কায়রোতে।

মিশরে যেতে রোমানিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

রোমানিয়ার নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে মিশরের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

মিশরের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া রোমানিয়ায় যেতে পারেন?

না। মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে রোমানিয়ার ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।