মিশরপোল্যান্ড

মিশরের নাগরিকদের জন্য পোল্যান্ডের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

পোল্যান্ড ভ্রমণে মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · kair.msz.gov.pl-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মিশরে পোল্যান্ডের মিশন

মিশরে পোল্যান্ডের একটি মিশন আছে; দূতাবাস কায়রোতে।

পোল্যান্ড: মিশরে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২,৬৩৬২,১৩২৪৯৯১৮.৭% ২৮.৮%
২০২৪ ২,৫৮১১,৯৬৪৬০৫২৩.৩% ২২.৮%
২০২৫ ৩,০৮২২,৩৮৫৬৮৭২২.৩% ২০.৫%

২০২৫ সালে মিশরে পোল্যান্ডের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কায়রো) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩,০৮২টি আবেদন পেয়েছে এবং ২,৩৮৫টি ভিসা দিয়েছে। ২২.৩% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ২৩.৩%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৯% বেড়েছে (২০২৪ সালে ২,৫৮১টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মিশরে জমা পড়া আবেদনের ২৪.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ৪.৪% থেকে সুইডেনের কনস্যুলেটে ৫০.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে পোল্যান্ডের কনস্যুলেটগুলো ১৫.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মিশরে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে পোল্যান্ড ১৩তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে মিশরে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

পোল্যান্ডের নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

পোল্যান্ডমিশর অন-অ্যারাইভাল ভিসা পোল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য মিশরের ভিসা

পোল্যান্ড ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

পোল্যান্ডে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন মিশরের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পোল্যান্ডকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৪ জুন, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পোল্যান্ডের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পোল্যান্ডের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মিশরের নাগরিকরা পোল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন

পোল্যান্ডে মিশরের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মিশরের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মিশরে আবেদন করা যায় কায়রোতে পোল্যান্ডের দূতাবাসে, অথবা পোল্যান্ডের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে পোল্যান্ড।

পোল্যান্ড ও শেনজেন অঞ্চল

পোল্যান্ডের দেওয়া শেনজেন ভিসায় মিশরের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; পোল্যান্ড যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন পোল্যান্ডের কাছেই করতে হয়।

মিশরের নাগরিকদের জন্য পোল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশ

জার্মানি, লিথুয়ানিয়া, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, বেলারুশ, ইউক্রেন ও রাশিয়া যেতে মিশরের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

পোল্যান্ডের নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

পোল্যান্ডের নাগরিকরা মিশরে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

পোল্যান্ডে যেতে মিশরের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

পোল্যান্ড ভ্রমণে মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

মিশরে পোল্যান্ডের দূতাবাস কোথায়?

পোল্যান্ডের দূতাবাস কায়রোতে।

মিশরে যেতে পোল্যান্ডের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

পোল্যান্ডের নাগরিকরা মিশরে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

মিশরের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া পোল্যান্ডে যেতে পারেন?

না। মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে পোল্যান্ডের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।