মিশরহাঙ্গেরি

মিশরের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিশরের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · kairo.mfa.gov.hu-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মিশরে হাঙ্গেরির মিশন

মিশরে হাঙ্গেরির একটি মিশন আছে; দূতাবাস কায়রোতে।

হাঙ্গেরি: মিশরে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৩,৪৫৮২,৫৬০৮৯৮২৫.৯% ৩১.৩%
২০২৪ ৪,৮৯২৩,৬৬১১,২৩১২৫.১% ৩১.৪%
২০২৫ ৫,১৭৮৩,৬০৪১,৫৪৯৩০.০% ৩০.৯%

২০২৫ সালে মিশরে হাঙ্গেরির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কায়রো) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৫,১৭৮টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩,৬০৪টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩০.০%। ২০২৪ সালের ২৫.১%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৪.৯ পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৬% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৪,৮৯২টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মিশরে জমা পড়া আবেদনের ২৪.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ৪.৪% থেকে সুইডেনের কনস্যুলেটে ৫০.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে হাঙ্গেরির কনস্যুলেটগুলো ১৩.০% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মিশরে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে হাঙ্গেরি নবম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে মিশরে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

হাঙ্গেরির নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

হাঙ্গেরিমিশর অন-অ্যারাইভাল ভিসা হাঙ্গেরির নাগরিকদের জন্য মিশরের ভিসা

হাঙ্গেরি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

হাঙ্গেরিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন মিশরের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর হাঙ্গেরিকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৪ এপ্রিল, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) হাঙ্গেরির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হাঙ্গেরির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মিশরের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে কত দিন থাকতে পারেন

হাঙ্গেরিতে মিশরের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মিশরের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মিশরে আবেদন করা যায় কায়রোতে হাঙ্গেরির দূতাবাসে, অথবা হাঙ্গেরির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে হাঙ্গেরি।

হাঙ্গেরি ও শেনজেন অঞ্চল

হাঙ্গেরির দেওয়া শেনজেন ভিসায় মিশরের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; হাঙ্গেরি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন হাঙ্গেরির কাছেই করতে হয়।

মিশরের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির প্রতিবেশী দেশ

স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ও সার্বিয়া যেতে মিশরের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

হাঙ্গেরির নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

হাঙ্গেরির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে মিশরের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

হাঙ্গেরিতে যেতে মিশরের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিশরের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

মিশরে হাঙ্গেরির দূতাবাস কোথায়?

হাঙ্গেরির দূতাবাস কায়রোতে।

মিশরে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

হাঙ্গেরির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে মিশরের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

মিশরের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন?

না। মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে হাঙ্গেরির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।