মিশরগ্রিস

মিশরের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিশরের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
২টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.gr-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মিশরে গ্রিসের মিশন

মিশরে গ্রিসের সব মিশন

মিশরে গ্রিসের ২টি মিশন আছে; দূতাবাস কায়রোতে। কনস্যুলেট: আলেকজান্দ্রিয়া।

গ্রিস: মিশরে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১৫,১৮২১১,১২৪৩,৯৮৩২৬.৪% ৩৪.৩%
২০২৪ ১৭,০৩১১১,৫৬৮৫,২৮৯৩১.২% ৩৮.৯%
২০২৫ ১৭,২৭৩১১,৩৫৮৫,৮১০৩৩.৮% ৩৯.০%

২০২৫ সালে মিশরে গ্রিসের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কায়রো ও আলেকজান্দ্রিয়া) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৭,২৭৩টি আবেদন পেয়েছে এবং ১১,৩৫৮টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩৩.৮%। ২০২৪ সালের ৩১.২%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ২.৬ পয়েন্ট বেড়েছে। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ১৭,০৩১টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মিশরে জমা পড়া আবেদনের ২৪.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ৪.৪% থেকে সুইডেনের কনস্যুলেটে ৫০.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে গ্রিসের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মিশরে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস পঞ্চম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে মিশরে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

গ্রিসের নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

গ্রিসমিশর অন-অ্যারাইভাল ভিসা গ্রিসের নাগরিকদের জন্য মিশরের ভিসা

গ্রিস ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মিশর থেকে গ্রিসে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গ্রিসকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গ্রিসের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রিসের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মিশরের নাগরিকরা গ্রিসে কত দিন থাকতে পারেন

গ্রিসে মিশরের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মিশরের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মিশরে আবেদন করা যায় কায়রোতে গ্রিসের দূতাবাসে অথবা আলেকজান্দ্রিয়া শহরের কনস্যুলেটে, অথবা গ্রিসের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে গ্রিস।

গ্রিস ও শেনজেন অঞ্চল

গ্রিসের দেওয়া শেনজেন ভিসায় মিশরের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; গ্রিস যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন গ্রিসের কাছেই করতে হয়।

মিশরের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের প্রতিবেশী দেশ

উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, তুরস্ক ও বুলগেরিয়া যেতে মিশরের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

গ্রিসের নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

গ্রিসের নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে মিশরের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্রিসে যেতে মিশরের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিশরের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

মিশরে গ্রিসের দূতাবাস কোথায়?

গ্রিসের দূতাবাস কায়রোতে, আর আলেকজান্দ্রিয়া শহরে কনস্যুলেটও আছে।

মিশরে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গ্রিসের নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে মিশরের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

মিশরের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন?

না। মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে গ্রিসের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।