মিশরফ্রান্স

মিশরের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিশরের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
৪টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · eg.ambafrance.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মিশরে ফ্রান্সের মিশন

মিশরে ফ্রান্সের সব মিশন

মিশরে ফ্রান্সের ৪টি মিশন আছে; দূতাবাস কায়রোতে। কনস্যুলেট: কায়রো ও আলেকজান্দ্রিয়া।

ফ্রান্স: মিশরে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৩৮,৪২৪৩৩,৩০১৪,৯১৭১২.৮% ৫০.৩%
২০২৪ ৪২,৯৪০৩৫,২৮৯৬,৬০৪১৫.৭% ৪৯.৬%
২০২৫ ৫৩,৭৪৬৪৫,১৪৩৮,৮৩৭১৬.৩% ৪৭.০%

২০২৫ সালে মিশরে ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কায়রো) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৫৩,৭৪৬টি আবেদন পেয়েছে এবং ৪৫,১৪৩টি ভিসা দিয়েছে। ১৬.৩% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ১৫.৭%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২৫% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৪২,৯৪০টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মিশরে জমা পড়া আবেদনের ২৪.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ৪.৪% থেকে সুইডেনের কনস্যুলেটে ৫০.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মিশরে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে মিশরে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

ফ্রান্সের নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

ফ্রান্সমিশর অন-অ্যারাইভাল ভিসা ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য মিশরের ভিসা

ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মিশর থেকে ফ্রান্সে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মিশরের নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন

ফ্রান্সে মিশরের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মিশরের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মিশরে আবেদন করা যায় কায়রোতে ফ্রান্সের দূতাবাসে অথবা কায়রো ও আলেকজান্দ্রিয়া শহরের কনস্যুলেটে, অথবা ফ্রান্সের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ফ্রান্স।

ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল

ফ্রান্সের দেওয়া শেনজেন ভিসায় মিশরের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফ্রান্স যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফ্রান্সের কাছেই করতে হয়।

মিশরের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে মিশরের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

ফ্রান্সের নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ

ফ্রান্সের নাগরিকরা মিশরে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ফ্রান্সে যেতে মিশরের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিশরের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

মিশরে ফ্রান্সের দূতাবাস কোথায়?

ফ্রান্সের দূতাবাস কায়রোতে, আর কায়রো ও আলেকজান্দ্রিয়া শহরে কনস্যুলেটও আছে।

মিশরে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ফ্রান্সের নাগরিকরা মিশরে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

মিশরের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?

না। মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে ফ্রান্সের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।