মিশর
ফিনল্যান্ড
মিশরের নাগরিকদের জন্য ফিনল্যান্ডের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ফিনল্যান্ড ভ্রমণে মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · finlandabroad.fi-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
মিশরে ফিনল্যান্ডের মিশন
মিশরে ফিনল্যান্ডের একটি মিশন আছে; দূতাবাস কায়রোতে।
ফিনল্যান্ড: মিশরে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৭৭৯ | ৫৬৩ | ১৭১ | ২৩.২% | ৩৮.২% |
| ২০২৪ | ৮৫২ | ৭২০ | ১৪৯ | ১৭.১% | ৪৩.১% |
| ২০২৫ | ৯২৭ | ৬৬১ | ২৭১ | ২৮.৯% | ৩৭.৫% |
২০২৫ সালে মিশরে ফিনল্যান্ডের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কায়রো) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৯২৭টি আবেদন পেয়েছে এবং ৬৬১টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ২৮.৯%। ২০২৪ সালের ১৭.১%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১১.৮ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৯% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৮৫২টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মিশরে জমা পড়া আবেদনের ২৪.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ৪.৪% থেকে সুইডেনের কনস্যুলেটে ৫০.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফিনল্যান্ডের কনস্যুলেটগুলো ১৩.৪% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মিশরে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফিনল্যান্ড ২০তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে মিশরে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ফিনল্যান্ডের নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ
ফিনল্যান্ড
মিশর অন-অ্যারাইভাল ভিসা ফিনল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য মিশরের ভিসা
ফিনল্যান্ড ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মিশর থেকে ফিনল্যান্ডে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফিনল্যান্ডকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মার্চ, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফিনল্যান্ডের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফিনল্যান্ডের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
মিশরের নাগরিকরা ফিনল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন
ফিনল্যান্ডে মিশরের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মিশরের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মিশরে আবেদন করা যায় কায়রোতে ফিনল্যান্ডের দূতাবাসে, অথবা ফিনল্যান্ডের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ফিনল্যান্ড।
ফিনল্যান্ড ও শেনজেন অঞ্চল
ফিনল্যান্ডের দেওয়া শেনজেন ভিসায় মিশরের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফিনল্যান্ড যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফিনল্যান্ডের কাছেই করতে হয়।
মিশরের নাগরিকদের জন্য ফিনল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশ
নরওয়ে, রাশিয়া ও সুইডেন যেতে মিশরের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ফিনল্যান্ডের নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ
ফিনল্যান্ডের নাগরিকরা মিশরে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফিনল্যান্ডে যেতে মিশরের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফিনল্যান্ড ভ্রমণে মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মিশরে ফিনল্যান্ডের দূতাবাস কোথায়?
ফিনল্যান্ডের দূতাবাস কায়রোতে।
মিশরে যেতে ফিনল্যান্ডের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফিনল্যান্ডের নাগরিকরা মিশরে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
মিশরের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফিনল্যান্ডে যেতে পারেন?
না। মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে ফিনল্যান্ডের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।