মিশর
বুলগেরিয়া
মিশরের নাগরিকদের জন্য বুলগেরিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
বুলগেরিয়া ভ্রমণে মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.bg-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
মিশরে বুলগেরিয়ার মিশন
মিশরে বুলগেরিয়ার একটি মিশন আছে; দূতাবাস কায়রোতে।
বুলগেরিয়া: মিশরে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৪ (আংশিক বছর) | ১,৪৫৯ | ৯৬০ | ৪৪৭ | ২৮.১% | ৩৩.৯% |
| ২০২৫ | ২,১০০ | ১,৫৩২ | ৫৫১ | ২৬.৪% | ১৩.৬% |
২০২৫ সালে মিশরে বুলগেরিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কায়রো) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২,১০০টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৫৩২টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ২৬.৪%। ২০২৪ সালের ২৮.১%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১.৬ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৪৪% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১,৪৫৯টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মিশরে জমা পড়া আবেদনের ২৪.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ৪.৪% থেকে সুইডেনের কনস্যুলেটে ৫০.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে বুলগেরিয়ার কনস্যুলেটগুলো ১২.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মিশরে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে বুলগেরিয়া ১৫তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। বুলগেরিয়া ৩১ মার্চ ২০২৪ থেকে শেনজেন ভিসা দেওয়া শুরু করে, তাই ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান বছরের একটি অংশের। এই পরিসংখ্যানে মিশরে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৪–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
বুলগেরিয়ার নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ
বুলগেরিয়া
মিশর অন-অ্যারাইভাল ভিসা বুলগেরিয়ার নাগরিকদের জন্য মিশরের ভিসা
বুলগেরিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মিশর থেকে বুলগেরিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বুলগেরিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৮ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) বুলগেরিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুলগেরিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
মিশরের নাগরিকরা বুলগেরিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
বুলগেরিয়ায় মিশরের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মিশরের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মিশরে আবেদন করা যায় কায়রোতে বুলগেরিয়ার দূতাবাসে, অথবা বুলগেরিয়ার নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে বুলগেরিয়া।
বুলগেরিয়া ও শেনজেন অঞ্চল
বুলগেরিয়ার দেওয়া শেনজেন ভিসায় মিশরের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; বুলগেরিয়া যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন বুলগেরিয়ার কাছেই করতে হয়।
মিশরের নাগরিকদের জন্য বুলগেরিয়ার প্রতিবেশী দেশ
উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, গ্রিস, রোমানিয়া, তুরস্ক ও সার্বিয়া যেতে মিশরের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
বুলগেরিয়ার নাগরিকদের মিশর ভ্রমণ
বুলগেরিয়ার নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে মিশরের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
বুলগেরিয়ায় যেতে মিশরের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
বুলগেরিয়া ভ্রমণে মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মিশরে বুলগেরিয়ার দূতাবাস কোথায়?
বুলগেরিয়ার দূতাবাস কায়রোতে।
মিশরে যেতে বুলগেরিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
বুলগেরিয়ার নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে মিশরের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
মিশরের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া বুলগেরিয়ায় যেতে পারেন?
না। মিশরের নাগরিকদের আগে থেকে বুলগেরিয়ার ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।