ইকুয়েডরহাঙ্গেরি

ইকুয়েডরের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

হাঙ্গেরি ভ্রমণে ইকুয়েডরের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · quito.mfa.gov.hu-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

ইকুয়েডরে হাঙ্গেরির মিশন

  • হাঙ্গেরির দূতাবাস, কিটো

    দূতাবাস · কিটো

    Pedro Ponce Carrasco E9-25, Quito

    আজ · বন্ধ

ইকুয়েডরে হাঙ্গেরির একটি মিশন আছে; দূতাবাস কিটোতে।

হাঙ্গেরি: ইকুয়েডরে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,১১৯৮৭৭২৪২২১.৬% ৫১.২%
২০২৪ ১,১৩১৬৭০৪৬১৪০.৮% ৩৯.৩%
২০২৫ ১,০০৩৬০৯৩৭৭৩৮.২% ৪২.৪%

২০২৫ সালে ইকুয়েডরে হাঙ্গেরির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কিটো) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,০০৩টি আবেদন পেয়েছে এবং ৬০৯টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩৮.২%। ২০২৪ সালের ৪০.৮%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ২.৫ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১১% কমেছে (২০২৪ সালে ১,১৩১টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ইকুয়েডরে জমা পড়া আবেদনের ৩০.৯% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে হাঙ্গেরির কনস্যুলেটগুলো ১৩.০% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ইকুয়েডরে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে হাঙ্গেরি ষষ্ঠ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ইকুয়েডরে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

হাঙ্গেরির নাগরিকদের ইকুয়েডর ভ্রমণ

হাঙ্গেরিইকুয়েডর ভিসা লাগে না, ৯০ দিন হাঙ্গেরির নাগরিকদের জন্য ইকুয়েডরের ভিসা

হাঙ্গেরি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

ইকুয়েডর থেকে হাঙ্গেরিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর হাঙ্গেরিকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৪ এপ্রিল, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) হাঙ্গেরির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হাঙ্গেরির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

ইকুয়েডরের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে কত দিন থাকতে পারেন

হাঙ্গেরিতে ইকুয়েডরের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

ইকুয়েডরের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

ইকুয়েডরে আবেদন করা যায় কিটোতে হাঙ্গেরির দূতাবাসে, অথবা হাঙ্গেরির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে হাঙ্গেরি।

হাঙ্গেরি ও শেনজেন অঞ্চল

হাঙ্গেরির দেওয়া শেনজেন ভিসায় ইকুয়েডরের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; হাঙ্গেরি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন হাঙ্গেরির কাছেই করতে হয়।

ইকুয়েডরের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির প্রতিবেশী দেশ

ইউক্রেন যেতে ইকুয়েডরের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, রোমানিয়া, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ও সার্বিয়া যেতে ইকুয়েডরের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

হাঙ্গেরির নাগরিকদের ইকুয়েডর ভ্রমণ

ইকুয়েডরে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

হাঙ্গেরিতে যেতে ইকুয়েডরের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

হাঙ্গেরি ভ্রমণে ইকুয়েডরের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

ইকুয়েডরে হাঙ্গেরির দূতাবাস কোথায়?

হাঙ্গেরির দূতাবাস কিটোতে।

ইকুয়েডরে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ইকুয়েডরে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

ইকুয়েডরের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন?

না। ইকুয়েডরের নাগরিকদের আগে থেকে হাঙ্গেরির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।