গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রগ্রিস

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.gr-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে গ্রিসের মিশন

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে গ্রিসের একটি মিশন আছে; দূতাবাস কিনশাসায়।

গ্রিস: গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২,৬৭৩১,৫৬৩৭১৪.৩% ১৪.১%
২০২৪ ৬,৪২৮২,১৭৮৩,২৮১৫৯.৯% ১২.০%
২০২৫ ৫,২৯০২,৩৯১২,৩৪৪৪৯.৫% ১৬.৪%

২০২৫ সালে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে গ্রিসের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কিনশাসা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৫,২৯০টি আবেদন পেয়েছে এবং ২,৩৯১টি ভিসা দিয়েছে। ৪৯.৫% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৫৯.৯%, অর্থাৎ এটি ১০.৪ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৮% কমেছে (২০২৪ সালে ৬,৪২৮টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জমা পড়া আবেদনের ৪০.১% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল বেলজিয়ামের কনস্যুলেটে ৩৪.৯% থেকে সুইজারল্যান্ডের কনস্যুলেটে ৭২.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে গ্রিসের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

গ্রিসের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ভ্রমণ

গ্রিসগণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ই-ভিসা গ্রিসের নাগরিকদের জন্য গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ভিসা

গ্রিস ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র থেকে গ্রিসে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গ্রিসকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গ্রিসের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রিসের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা গ্রিসে কত দিন থাকতে পারেন

গ্রিসে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে আবেদন করা যায় কিনশাসায় গ্রিসের দূতাবাসে, অথবা গ্রিসের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে গ্রিস।

গ্রিস ও শেনজেন অঞ্চল

গ্রিসের দেওয়া শেনজেন ভিসায় গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; গ্রিস যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন গ্রিসের কাছেই করতে হয়।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের প্রতিবেশী দেশ

উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, তুরস্ক ও বুলগেরিয়া যেতে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

গ্রিসের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ভ্রমণ

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৭ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্রিসে যেতে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে গ্রিসের দূতাবাস কোথায়?

গ্রিসের দূতাবাস কিনশাসায়।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৭ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন?

না। গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের আগে থেকে গ্রিসের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।