গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রজার্মানি

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
৩টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · kinshasa.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জার্মানির মিশন

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জার্মানির সব মিশন

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জার্মানির ৩টি মিশন আছে; দূতাবাস কিনশাসায়। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: বুকাভু ও লুবুম্বাশি।

জার্মানি: গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২০৫১২৭২২১০.৮% ৬৩.৮%
২০২৪ ২৫২১৭১৩৯১৫.৭% ৫৬.১%
২০২৫ ৩০৫২২৯১৮৬.১% ৭২.৫%

২০২৫ সালে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কিনশাসা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩০৫টি আবেদন পেয়েছে এবং ২২৯টি ভিসা দিয়েছে। ৬.১% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ১৫.৭%, অর্থাৎ এটি ৯.৬ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২১% বেড়েছে (২০২৪ সালে ২৫২টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জমা পড়া আবেদনের ৪০.১% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল বেলজিয়ামের কনস্যুলেটে ৩৪.৯% থেকে সুইজারল্যান্ডের কনস্যুলেটে ৭২.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি পঞ্চম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

জার্মানির নাগরিকদের গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ভ্রমণ

জার্মানিগণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ই-ভিসা জার্মানির নাগরিকদের জন্য গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ভিসা

জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

জার্মানিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন

জার্মানিতে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে আবেদন করা যায় কিনশাসায় জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।

জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল

জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

জার্মানির নাগরিকদের গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ভ্রমণ

জার্মানির নাগরিকদের জন্য গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায় এবং ৭ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য দেওয়া হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জার্মানিতে যেতে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জার্মানির দূতাবাস কোথায়?

জার্মানির দূতাবাস কিনশাসায়।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানির নাগরিকদের জন্য গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায় এবং ৭ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য দেওয়া হয়।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?

না। গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।