জিবুতিযুক্তরাষ্ট্র

জিবুতির নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে জিবুতির নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · dj.usembassy.gov-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

জিবুতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস, জিবুতি

    দূতাবাস · জিবুতি

    Lot 350-B Haramouss, Djibouti

    আজ ০৮:০০–১৬:৩০

জিবুতিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মিশন আছে; দূতাবাস জিবুতিতে।

জিবুতির নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা

মঞ্জুর করা ভিসাঅর্থবছর ২০২৪অর্থবছর ২০২৫
ভ্রমণ ও ব্যবসা (B)২৪০১৮২
শিক্ষার্থী (F, M)১১১২
এক্সচেঞ্জ (J)১৯১৪
চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি)০১
কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G)১২৫১০১
বাগদত্ত (K)৮১
মোট৪০৩৩১১
B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার৬৪.৭%৬১.৫%

অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র জিবুতির নাগরিকদের ৩১১টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ১৭৬তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসা (B1/B2), ৫৯%; এরপর কূটনৈতিক ও সরকারি (৩২%) ও এক্সচেঞ্জ (৫%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (৪০৩) চেয়ে ২৩% কম।

অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত জিবুতির নাগরিকদের ৪৬টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬৬% কম।

ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ জিবুতির নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৬১.৫% (অর্থবছর ২০২৪: ৬৪.৭%)। সমন্বিত হারে সেসব প্রত্যাখ্যান মঞ্জুর হিসেবে গোনা হয়, যেগুলো পরে বাতিল হয়েছে, যেমন বাড়তি কাগজ দেওয়ার পর। ৩%-এর কম হার ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামে (Visa Waiver Program) যুক্ত হওয়ার শর্তগুলোর একটি।

এই পরিসংখ্যানে সারা বিশ্বে জিবুতির নাগরিকদের দেওয়া ভিসা আছে, শুধু জিবুতিতে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দেওয়া ভিসা নয়।

উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জিবুতি ভ্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রজিবুতি অন-অ্যারাইভাল ভিসা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য জিবুতির ভিসা

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরামর্শ

  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

জিবুতি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

জিবুতির নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন

যুক্তরাষ্ট্রে জিবুতির নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

জিবুতির নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

জিবুতিতে আবেদন করা যায় জিবুতিতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে যুক্তরাষ্ট্র।

জিবুতির নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ

কানাডা ও মেক্সিকো যেতে জিবুতির নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জিবুতি ভ্রমণ

জিবুতিতে পৌঁছানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

যুক্তরাষ্ট্রে যেতে জিবুতির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে জিবুতির নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

জিবুতিতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কোথায়?

যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জিবুতিতে।

জিবুতিতে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জিবুতিতে পৌঁছানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

জিবুতির নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন?

না। জিবুতির নাগরিকদের আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।