কিউবাপর্তুগাল

কিউবার নাগরিকদের জন্য পর্তুগালের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

কিউবার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া পর্তুগালে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · havana.embaixadaportugal.mne.gov.pt-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

কিউবায় পর্তুগালের মিশন

কিউবায় পর্তুগালের একটি মিশন আছে; দূতাবাস হাভানায়।

পর্তুগাল: কিউবায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,৬৯৮১,৫৯৭১০১৫.৯% ১১.১%
২০২৪ ১,৪৭৩১,৩৬৫১৩০.৯% ১৭.৭%
২০২৫ ১,০৭৪৮৯১১৮৩১৭.০% ১৭.৫%

২০২৫ সালে কিউবায় পর্তুগালের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (হাভানা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,০৭৪টি আবেদন পেয়েছে এবং ৮৯১টি ভিসা দিয়েছে। ১৭.০% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ০.৯%, অর্থাৎ এটি ১৬.১ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২৭% কমেছে (২০২৪ সালে ১,৪৭৩টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে কিউবায় জমা পড়া আবেদনের ২১.৮% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল স্পেনের কনস্যুলেটে ১১.৬% থেকে জার্মানির কনস্যুলেটে ৪২.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে পর্তুগালের কনস্যুলেটগুলো ২৩.৩% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কিউবায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে পর্তুগাল সপ্তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে কিউবায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

পর্তুগালের নাগরিকদের কিউবা ভ্রমণ

পর্তুগালকিউবা ই-ভিসা পর্তুগালের নাগরিকদের জন্য কিউবার ভিসা

পর্তুগাল ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

পর্তুগালে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন কিউবার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পর্তুগালকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পর্তুগালের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্তুগালের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

কিউবার নাগরিকরা পর্তুগালে কত দিন থাকতে পারেন

পর্তুগালে কিউবার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

কিউবার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

কিউবায় আবেদন করা যায় হাভানায় পর্তুগালের দূতাবাসে, অথবা পর্তুগালের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে পর্তুগাল।

পর্তুগাল ও শেনজেন অঞ্চল

পর্তুগালের দেওয়া শেনজেন ভিসায় কিউবার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; পর্তুগাল যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন পর্তুগালের কাছেই করতে হয়।

কিউবার নাগরিকদের জন্য পর্তুগালের প্রতিবেশী দেশ

স্পেন যেতে কিউবার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

পর্তুগালের নাগরিকদের কিউবা ভ্রমণ

কিউবায় যেতে পর্তুগালের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

পর্তুগালে যেতে কিউবার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

কিউবার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া পর্তুগালে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

কিউবায় পর্তুগালের দূতাবাস কোথায়?

পর্তুগালের দূতাবাস হাভানায়।

কিউবায় যেতে পর্তুগালের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

কিউবায় যেতে পর্তুগালের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

কিউবার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া পর্তুগালে যেতে পারেন?

না। কিউবার নাগরিকদের আগে থেকে পর্তুগালের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।