কিউবাবেলজিয়াম

কিউবার নাগরিকদের জন্য বেলজিয়ামের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

বেলজিয়ামে যাওয়ার আগে কিউবার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · cuba.diplomatie.belgium.be-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

কিউবায় বেলজিয়ামের মিশন

কিউবায় বেলজিয়ামের একটি মিশন আছে; দূতাবাস হাভানায়।

বেলজিয়াম: কিউবায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,৩৩৬৮৩৬৫০০৩৭.৪% ৩৩.৩%
২০২৪ ৮৭৩৫৮৩২৭১৩১.৭% ৩৩.৮%
২০২৫ ৮৪২৫৩৫২৭৮৩৪.২% ৩৮.৫%

২০২৫ সালে কিউবায় বেলজিয়ামের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (হাভানা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৮৪২টি আবেদন পেয়েছে এবং ৫৩৫টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩৪.২%। ২০২৪ সালের ৩১.৭%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ২.৫ পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৪% কমেছে (২০২৪ সালে ৮৭৩টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে কিউবায় জমা পড়া আবেদনের ২১.৮% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল স্পেনের কনস্যুলেটে ১১.৬% থেকে জার্মানির কনস্যুলেটে ৪২.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে বেলজিয়ামের কনস্যুলেটগুলো ২৬.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কিউবায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে বেলজিয়াম নবম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে কিউবায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

বেলজিয়ামের নাগরিকদের কিউবা ভ্রমণ

বেলজিয়ামকিউবা ই-ভিসা বেলজিয়ামের নাগরিকদের জন্য কিউবার ভিসা

বেলজিয়াম ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

বেলজিয়ামে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন কিউবার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বেলজিয়ামকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) বেলজিয়ামের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১৭ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বেলজিয়ামের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

কিউবার নাগরিকরা বেলজিয়ামে কত দিন থাকতে পারেন

বেলজিয়ামে কিউবার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

কিউবার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

কিউবায় আবেদন করা যায় হাভানায় বেলজিয়ামের দূতাবাসে, অথবা বেলজিয়ামের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে বেলজিয়াম।

বেলজিয়াম ও শেনজেন অঞ্চল

বেলজিয়ামের দেওয়া শেনজেন ভিসায় কিউবার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; বেলজিয়াম যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন বেলজিয়ামের কাছেই করতে হয়।

কিউবার নাগরিকদের জন্য বেলজিয়ামের প্রতিবেশী দেশ

জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, লাক্সেমবার্গ ও ফ্রান্স যেতে কিউবার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

বেলজিয়ামের নাগরিকদের কিউবা ভ্রমণ

যাত্রার আগে বেলজিয়ামের নাগরিকদের কিউবার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বেলজিয়ামে যেতে কিউবার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

বেলজিয়ামে যাওয়ার আগে কিউবার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

কিউবায় বেলজিয়ামের দূতাবাস কোথায়?

বেলজিয়ামের দূতাবাস হাভানায়।

কিউবায় যেতে বেলজিয়ামের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যাত্রার আগে বেলজিয়ামের নাগরিকদের কিউবার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।

কিউবার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন?

না। কিউবার নাগরিকদের আগে থেকে বেলজিয়ামের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।