চীনপাপুয়া নিউ গিনি

চীনের নাগরিকদের জন্য পাপুয়া নিউ গিনির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

পাপুয়া নিউ গিনিতে যাওয়ার আগে চীনের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

চীনের নাগরিকরা পাপুয়া নিউ গিনির ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী চীনে পাপুয়া নিউ গিনির কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে পাপুয়া নিউ গিনির দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

দূরত্বের হিসাবে বেইজিং থেকে পাপুয়া নিউ গিনির যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো টোকিও (জাপান, ২,০৯৭ কিলোমিটার), ম্যানিলা (ফিলিপাইন, ২,৮৫৫ কিলোমিটার) ও কুয়ালালামপুর (মালয়েশিয়া, ৪,৩৪৬ কিলোমিটার) শহরে। চীনের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে পাপুয়া নিউ গিনি; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের চীন ভ্রমণ

পাপুয়া নিউ গিনিচীন আগে থেকে ভিসা লাগে পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের জন্য চীনের ভিসা

পাপুয়া নিউ গিনি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৩: ভ্রমণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণ
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

পাপুয়া নিউ গিনিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন চীনের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পাপুয়া নিউ গিনিকে স্তর ৩-এ ("ভ্রমণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২৮ এপ্রিল, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পাপুয়া নিউ গিনির কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণের পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ১৭ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাপুয়া নিউ গিনির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৪ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

চীনের নাগরিকরা পাপুয়া নিউ গিনিতে কত দিন থাকতে পারেন

পাপুয়া নিউ গিনিতে চীনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

চীনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

চীনে পাপুয়া নিউ গিনির কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই চীনের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে পাপুয়া নিউ গিনির সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে চীন পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে পাপুয়া নিউ গিনির অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের চীন ভ্রমণ

চীনে যাওয়ার আগে পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়। চীন ও পাপুয়া নিউ গিনির মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

পাপুয়া নিউ গিনিতে যেতে চীনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

পাপুয়া নিউ গিনিতে যাওয়ার আগে চীনের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

চীনে কি পাপুয়া নিউ গিনির দূতাবাস আছে?

না। চীনে পাপুয়া নিউ গিনির কোনো দূতাবাস নেই। পাপুয়া নিউ গিনির সবচেয়ে কাছের দূতাবাস জাপানের টোকিওতে, বেইজিং থেকে ২,০৯৭ কিলোমিটার দূরে।

চীনে যেতে পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

চীনে যাওয়ার আগে পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

চীনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া পাপুয়া নিউ গিনিতে যেতে পারেন?

না। চীনের নাগরিকদের আগে থেকে পাপুয়া নিউ গিনির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।