কানাডাঅস্ট্রিয়া

কানাডার নাগরিকদের জন্য অস্ট্রিয়ার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

ভিসা লাগে না সর্বোচ্চ ৯০ দিন

কানাডার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই অস্ট্রিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

সর্বোচ্চ অবস্থান
৯০ দিন
আবেদন কোথায় করবেন
আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · bmeia.gv.at-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

অস্ট্রিয়া: কানাডায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,০১৮৯৮৯১৯১.৯% ১০.৭%
২০২৪ ১,০১৩৯৪৪৬৮৬.৭% ৮.৪%
২০২৫ ১,০৯২৯৭০৪৩৪.২% ১৪.০%

২০২৫ সালে কানাডায় অস্ট্রিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (অটোয়া) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,০৯২টি আবেদন পেয়েছে এবং ৯৭০টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৪.২%। ২০২৪ সালের ৬.৭%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ২.৫ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৮% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১,০১৩টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে কানাডায় জমা পড়া আবেদনের ৯.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল গ্রিসের কনস্যুলেটে ১.৬% থেকে পর্তুগালের কনস্যুলেটে ২৩.৭% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে অস্ট্রিয়ার কনস্যুলেটগুলো ১১.৯% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কানাডায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রিয়া দশম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে কানাডায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের কানাডা ভ্রমণ

অস্ট্রিয়াকানাডা ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের জন্য কানাডার ভিসা

অস্ট্রিয়া ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

কানাডা থেকে অস্ট্রিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অস্ট্রিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ আগস্ট, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) অস্ট্রিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অস্ট্রিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

কানাডার নাগরিকরা অস্ট্রিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন

কানাডার নাগরিকরা অস্ট্রিয়ায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। অস্ট্রিয়ায় কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।

অস্ট্রিয়া ও শেনজেন অঞ্চল

কানাডার নাগরিকদের ভিসা ছাড়া অস্ট্রিয়া ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।

কানাডার নাগরিকদের জন্য অস্ট্রিয়ার প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, ইতালি, স্লোভেনিয়া ও লিখটেনস্টাইন যেতে কানাডার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।

অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের কানাডা ভ্রমণ

কানাডার ফ্লাইটে ওঠার আগে অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

অস্ট্রিয়ায় যেতে কানাডার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

কানাডার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই অস্ট্রিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

কানাডার নাগরিকরা অস্ট্রিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন?

কানাডার নাগরিকরা অস্ট্রিয়ায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।

কানাডায় যেতে অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

কানাডার ফ্লাইটে ওঠার আগে অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

কানাডার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া অস্ট্রিয়ায় যেতে পারেন?

হ্যাঁ, কানাডার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া অস্ট্রিয়ায় যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।