কম্বোডিয়া
জার্মানি
কম্বোডিয়ার নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
জার্মানিতে যাওয়ার আগে কম্বোডিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ২টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · phnom-penh.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
কম্বোডিয়ায় জার্মানির মিশন
-
- জার্মানির অনারারি কনস্যুলেট, সিয়েম রিপ
0107 Wat Bo Street, Sangkat Sala Kamreuk, 171204 Siem Reap Stadt, Siem Reap Province
কম্বোডিয়ায় জার্মানির সব মিশন
কম্বোডিয়ায় জার্মানির ২টি মিশন আছে; দূতাবাস নমপেনে। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: সিয়েম রিপ।
জার্মানি: কম্বোডিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৩,৫৬১ | ৩,২০১ | ৩৩২ | ৯.৪% | ৬৫.০% |
| ২০২৪ | ৩,৩৭৩ | ২,৯১৩ | ৪৫৪ | ১৩.৫% | ৫৯.৫% |
| ২০২৫ | ২,১০৬ | ১,৮১৮ | ২৬৮ | ১২.৮% | ৬১.৭% |
২০২৫ সালে কম্বোডিয়ায় জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (নমপেন) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২,১০৬টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৮১৮টি ভিসা দিয়েছে। ১২.৮% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ১৩.৫%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৩৮% কমেছে (২০২৪ সালে ৩,৩৭৩টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে কম্বোডিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১৭.৬% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কম্বোডিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে কম্বোডিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
জার্মানির নাগরিকদের কম্বোডিয়া ভ্রমণ
জার্মানি
কম্বোডিয়া অন-অ্যারাইভাল ভিসা জার্মানির নাগরিকদের জন্য কম্বোডিয়ার ভিসা
জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
কম্বোডিয়া থেকে জার্মানিতে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
কম্বোডিয়ার নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন
জার্মানিতে কম্বোডিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
কম্বোডিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
কম্বোডিয়ায় আবেদন করা যায় নমপেনে জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।
জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল
জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় কম্বোডিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।
কম্বোডিয়ার নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে কম্বোডিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
জার্মানির নাগরিকদের কম্বোডিয়া ভ্রমণ
জার্মানির নাগরিকরা কম্বোডিয়ায় পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
জার্মানিতে যেতে কম্বোডিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জার্মানিতে যাওয়ার আগে কম্বোডিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
কম্বোডিয়ায় জার্মানির দূতাবাস কোথায়?
জার্মানির দূতাবাস নমপেনে।
কম্বোডিয়ায় যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জার্মানির নাগরিকরা কম্বোডিয়ায় পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
কম্বোডিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?
না। কম্বোডিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।