বতসোয়ানা
মিয়ানমার
বতসোয়ানার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে বতসোয়ানার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
বতসোয়ানার নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী বতসোয়ানায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, প্রিটোরিয়া২৬৬ km
Julius Jeppe Street 329, Pretoria
- মিয়ানমারের দূতাবাস, তেল আবিব৬,৩৭৬ km
יחזקאל קויפמן 2, Tel Aviv
-
৬,৮১৩ km
দূরত্বের হিসাবে গ্যাবোরোন থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো প্রিটোরিয়া (দক্ষিণ আফ্রিকা, ২৬৬ কিলোমিটার), তেল আবিব (ইসরায়েল, ৬,৩৭৬ কিলোমিটার) ও কলম্বো (শ্রীলঙ্কা, ৬,৮১৩ কিলোমিটার) শহরে। বতসোয়ানার বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের বতসোয়ানা ভ্রমণ
মিয়ানমার
বতসোয়ানা ই-ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য বতসোয়ানার ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
বতসোয়ানা থেকে মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
বতসোয়ানার নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে বতসোয়ানার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
বতসোয়ানার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
বতসোয়ানায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই বতসোয়ানার নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে বতসোয়ানা পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
বতসোয়ানার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
বাংলাদেশ যেতে বতসোয়ানার নাগরিকদের ভিসা লাগে না। চীন যেতে বতসোয়ানার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের বতসোয়ানা ভ্রমণ
যাত্রার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের বতসোয়ানার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে বতসোয়ানার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে বতসোয়ানার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
বতসোয়ানায় কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। বতসোয়ানায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায়, গ্যাবোরোন থেকে ২৬৬ কিলোমিটার দূরে।
বতসোয়ানায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যাত্রার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের বতসোয়ানার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
বতসোয়ানার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। বতসোয়ানার নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।