বলিভিয়া
স্পেন
বলিভিয়ার নাগরিকদের জন্য স্পেনের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
বলিভিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ৩টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · exteriores.gob.es-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
বলিভিয়ায় স্পেনের মিশন
বলিভিয়ায় স্পেনের ৩টি মিশন আছে; দূতাবাস লা পাজে। কনস্যুলেট: সান্তা ক্রুজ দে লা সিয়েরা। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: কোচাবাম্বা।
স্পেন: বলিভিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১৮,৩৮৬ | ১০,৯৮৮ | ৬,৯৯৯ | ৩৮.৯% | ৭.৪% |
| ২০২৪ | ১৮,১২৪ | ৯,৯৭৫ | ৮,২০১ | ৪৫.১% | ৭.৮% |
| ২০২৫ | ১৩,৭৯০ | ৭,৫৬৩ | ৬,৫৮৯ | ৪৬.৬% | ১৩.৩% |
২০২৫ সালে বলিভিয়ায় স্পেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (লা পাজ ও সান্তা ক্রুজ দে লা সিয়েরা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৩,৭৯০টি আবেদন পেয়েছে এবং ৭,৫৬৩টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৪৬.৬%। হারটি ২০২৪ সালের (৪৫.১%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২৪% কমেছে (২০২৪ সালে ১৮,১২৪টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে বলিভিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ৪৩.৪% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে স্পেনের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৬% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। বলিভিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে স্পেন সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে বলিভিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
স্পেনের নাগরিকদের বলিভিয়া ভ্রমণ
স্পেন
বলিভিয়া ভিসা লাগে না, ৯০ দিন স্পেনের নাগরিকদের জন্য বলিভিয়ার ভিসা
স্পেন ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
বলিভিয়া থেকে স্পেনে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৩১ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) স্পেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২ নভেম্বর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
বলিভিয়ার নাগরিকরা স্পেনে কত দিন থাকতে পারেন
স্পেনে বলিভিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
বলিভিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
বলিভিয়ায় আবেদন করা যায় লা পাজে স্পেনের দূতাবাসে অথবা সান্তা ক্রুজ দে লা সিয়েরা শহরের কনস্যুলেটে, অথবা স্পেনের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে স্পেন।
স্পেন ও শেনজেন অঞ্চল
স্পেনের দেওয়া শেনজেন ভিসায় বলিভিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; স্পেন যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন স্পেনের কাছেই করতে হয়।
বলিভিয়ার নাগরিকদের জন্য স্পেনের প্রতিবেশী দেশ
আন্ডোরা, পর্তুগাল, ফ্রান্স ও মরক্কো যেতে বলিভিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
স্পেনের নাগরিকদের বলিভিয়া ভ্রমণ
স্পেনের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই বলিভিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
স্পেনে যেতে বলিভিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
বলিভিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
বলিভিয়ায় স্পেনের দূতাবাস কোথায়?
স্পেনের দূতাবাস লা পাজে, আর সান্তা ক্রুজ দে লা সিয়েরা শহরে কনস্যুলেটও আছে।
বলিভিয়ায় যেতে স্পেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
স্পেনের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই বলিভিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
বলিভিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন?
না। বলিভিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে স্পেনের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।